ঝলক দেখালেন সৌম্য সরকার!

সম্ভাবনা আর বাস্তবতার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম ফারাক আছে। এই দুইয়ের মিল কখনও হয়, কখনও হয় না। অনেক ফুল কুঁড়িতেই ঝরে যায়, অনেকে নিস্তেজ হয়ে বেঁচে থাকে, আবার কোনো ফুল সমস্ত সৌন্দর্য ধারণ করে টিকে থাকে। সৌম্য সরকারের সাথে কোনটা যায়? সম্ভাব্য উত্তর নিস্তেজ হয়ে বেঁচে থাকা।

সৌম্য সরকার যখন ছন্দে থাকেন, তখন দুর্দমনীয় হয়ে ওঠেন। প্রস্তুতি ম্যাচে সেই ঝলকটাই তিনি দেখালেন ৪৪ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে।

সম্ভাবনা আর বাস্তবতার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম ফারাক আছে। এই দুইয়ের মিল কখনও হয়, কখনও হয় না। অনেক ফুল কুঁড়িতেই ঝরে যায়, অনেকে নিস্তেজ হয়ে বেঁচে থাকে, আবার কোনো ফুল সমস্ত সৌন্দর্য ধারণ করে টিকে থাকে। সৌম্য সরকারের সাথে কোনটা যায়? সম্ভাব্য উত্তর নিস্তেজ হয়ে বেঁচে থাকা।

যতটা আলো নিয়ে পা রেখেছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, সময়ের পরিক্রমায় অন্ধকারের চাদর সেই আলোটাকে ঢেকে দিয়েছে। তবে আলোর তেজ ঢেকে রাখা তো দায়। সৌম্য তাই কখনও জ্বলে ওঠেন স্বমহিমায়, আবার কখনো হারিয়ে যান। এভাবেই তো ক্যারিয়ারটা চলেছে।

 

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি সারছে বাংলাদেশ। তার জন্য দুটো ম্যাচও রাখা হয়েছে। যার প্রথমটাতে সৌম্য দেখিয়েছেন নিজের ঝলক। টিম এ এবং টিম বি-এর মধ্যকার এই ম্যাচে সৌম্য ছিলেন টিম বি-তেই। বলে রাখা ভালো, এশিয়ান গেমসের ঘোষিত স্কোয়াডে তিনি নেই, আর টিম এ-এর অধিকাংশ ক্রিকেটারই স্কোয়াডে থাকা সদস্য।

ফলাফলটাও পক্ষে গেছে সৌম্যদেরই। তার ইনিংসটায় মূলত পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এই ম্যাচে সর্বাধিক রান তার, এমনকি স্ট্রাইক রেটের বিচারে তিনিই ফার্স্ট বয়। লিটন দাস-সাইফ হাসানদের রান তুলতে যেখানে কষ্ট হয়েছে, সেখানে সৌম্য খেলেছেন বীরদর্পে। দিন শেষে অবশ্য এটাও এক আক্ষেপ। এমন দুর্দান্ত সৌম্য যদি ধারাবাহিক হতেন!

সবকিছু চাইলেই পাওয়া যায় না। সৌম্যর বেলায়ও খাটে এই কথা। তবে এই ইনিংস প্রমাণ করে সৌম্য এখনও আছেন। শেষ আলোটা মিলিয়ে এখনও যায়নি। শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এবছরই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। হয়তো দলে আবারও তিনি ফিরবেন। তবে ওই সম্ভাবনা আর বাস্তবতার ফারাকটা থেকেই যাবে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link