প্রচলিত ঘরাণার পাওয়ার হিটার তিনি নন। তবে, নিজের দিনে কোনো পাওয়ার হিটারের চাইতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত কম নন। সেটা আয়ারল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম ত্রিদেশীয় সিরিজ জয়ের দিন যেমন বুঝিয়েছেন, তেমনি এবার বুঝিয়ে দিলেন ক্রিকেটার্স অ্যাকাডেমির মাঠে।
ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে আবাহনীর হয়ে খেলতে রীতিমত টি-টোয়েন্টি স্টাইলেই ব্যাট চালালেন। ৪৯ বলে সেঞ্চুরি, ৫০ বলে ১০১ রানের অপরাজিত এক ইনিংস। বৃষ্টির কারণে ২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচটা কি অভাবনীয় এক ঝড়েই না মাতিয়ে দিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

তাঁর ২০২ স্ট্রাইক রেটের এই ইনিংসে ভর করে বোর্ডে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রানের পুঁজি পায় আবাহনী। সৈকতের ইনিংসে বাউন্ডারির চেয়ে ওভার বাউন্ডারিই ছিল বেশি। ছয়টি চারের সাথে হাকান ১০ টি ছক্কা। মানে কেবল চার-ছক্কা থেকেই তাঁর রান ৮৪।
১৬ ওভার শেষে তিন উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান করে আবাহনী। এরপরই ব্যাটিংয়ের চেহারা পাল্টে দেন সৈকত। বাকি ১১ ওভার থেকে আবাহনী করে ১২২ রান। এর মধ্যে কেবল সৈকতের রানই ৯৩। দলের মোট রানের প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ রান নিজে করে মোসাদ্দেক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।

শোনা যায়, বিপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে রেড ফ্ল্যাগ ধারীদের একজন তিনি। গেল বিপিএলে তাঁকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তবে, এর আগে কিংবা পরে যখন যেখানে সুযোগ পেয়েছেন মোসাদ্দেক পারফরম করেছেন। ফিক্সিং কেলেঙ্কারিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্রুতই শাস্তির ঘোষণা শোনাবে বলে জানা গেছে, এর আগে মোসাদ্দেকের এমন ব্যাটিং ঝড় শুধুই আক্ষেপ বাড়ায়।










