ফাইনাল খেলায় ওস্তাদ

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই প্রথম টেস্ট ফাইনালও দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্ব। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও আইসিসির বড় ইভেন্ট। বিশ্বের সেরা ক্রিকেট দল গুলোই অংশ নেই এই টুর্নামেন্ট গুলোতে। প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ এইসব টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সহজ কাজ নয়।

যেমন এতগুলো দলকে পিছনে ফেলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এর আগে ১২ টি ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ৬ টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ৯ বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজিত হয়েছে। এই আসরগুলোতে সবচেয়ে বেশিবার ফাইনাল খেলা দলগুলোকে নিয়েই এই তালিকা।

  • ভারত

ভারত এখন পর্যন্ত ১০ টি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছে। এরমধ্যে তিনবার ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে দলটি। ১৯৮৩ ও ২০১১ সালে চ্যাম্পিয়নও হয় দলটি। ওদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ফাইনাল খেলেছে দুবার। ২০০৭ সালে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তাঁরা।

২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে রানার্স আপ হয় ভারত। ওদিকে সবচেয়ে বেশি চারবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল খেলেছে দেশটি। এরমধ্যে দুইবার চ্যাম্পিয়ন ও দুইবার রানার্স আপ হয় তাঁরা। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠলো বিরাট কোহলির দল।

  • অস্ট্রেলিয়া

বিশ্বক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াও ১০ টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। শুধু ওয়ানডে বিশ্বকাপেই তাঁরা ফাইনাল খেলেছে ৭ বার। বিশ্বকাপের এই সফলতম দল ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে মোট ৫ বার। শুধু ১৯৭৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার কাছে ওয়ানডে ফাইনাল হেরেছিল দেশটি।

তবে, ২০১০ সালে মাত্র একবারই টি-টোয়েন্টি ফাইনাল খেলেছে অজিরা। সেবার হেরেছিল ইংল্যান্ডের কাছে। ওদিকে দুইবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও খেলেছে দেশটি।

  • ইংল্যান্ড

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছে ইংল্যান্ড। দেশটি কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছে মোট আট বার। ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে চারবার। ১৯৭৯,১৯৮৭,১৯৯২ সালে তিনবার ফাইনাল হারার পর ২০১৯ সালে অবশেষে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় তাঁরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুইবার ফাইনাল খেলেছে দেশটি। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেও ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে যায় দলটি। আবার চ্যম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুইবার ফাইনাল খেলে দুইবারই হেরেছে তাঁরা।

  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রথম দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় আসরেও ফাইনাল খেলেছি তবে সেবার ভারতের কাছে হেরে যায় দেশটি। এছাড়া ২০১২ ও ২০১৬ সালে দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে দেশটি।

দুইবারই চ্যাম্পিয়নও হয় ক্যারিবীয়রা। তিনবার চ্যম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও খেলেছে তাঁরা। এরমধ্যে ২০০৪ সালেই শুধু জয় পেয়েছিল দেশটি। সবমিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আইসিসি ফাইনাল খেলেছে মোট আট বার।

  • শ্রীলঙ্কা

এশিয়ার ক্রিকেটের আরেক পরাশক্তি শ্রীলঙ্কা। ১৯৯৬ সালে প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেই তাঁরা তাঁদের শক্তির পরিচয় দেয়। এরপর আরো ছয় বার কোনো আইসিসি ট্রফির ফাইনাল খেলে দেশটি। ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে মোট তিনবার। ২০০৭ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছে হেরে যায় তাঁরা।

এছাড়া তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেরও ফাইনাল খেলে শ্রীলঙ্কা। এরমধ্যে ২০১৪ সালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তাঁরা। এছাড়া ২০০২ সালেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল খেলেছল দেশটি। সেবার ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়।

লেখক পরিচিতি

আমার ডায়েরির প্রতিটা পৃষ্ঠাই আমার বাইশ গজ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link