জন্মদিন উদযাপনটা আরও যুৎসই হতে পারত। চাইলে মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরিও করতে পারতেন নিজের ৩৯ তম জন্মদিনে। তবে, নেহায়েৎ যোগ্য সঙ্গীর অভাব আর নিজের গেম অ্যাওয়ারনেসের অভাবে ১৪ তম সেঞ্চুরি পাওয়া হল না তাঁর।
যখন রান বাড়িয়ে নেওয়া দরকার ছিল, তখন সেটা করতে ব্যর্থ হন মুশফিক। বরং রান বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, এমনকি তাইজুল ইসলামও। সেই তুলনায় মুশফিকুর রহিম বেশ সেফ ক্রিকেট খেলেন। তাই ২৯ তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি দিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে।

মুশফিকুর রহিমের টেস্ট ক্যারিয়ার বিশাল লম্বা, দুই দশক। তাঁর চেয়ে বেশি সময় জাতীয় দলকে সাদা পোশাকে সার্ভিস দিয়েছেন কেবল মাত্র খোদ শচীন টেন্ডুলকার। সেদিক থেকে, মুশফিকের এই সময়ে দায়িত্ব নিয়ে দলের স্কোরটাকে ৪৫০-এ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ ছিল।
তিনি পারতেন কি পারতেন না, সেটা আলোচনার বিষয়ই না। আলোচনা হল তাঁর ইনটেন্ট। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে ব্যাটিং করার সময় মুশফিক কখনওই সেই ইনটেন্ট দেখাননি।

লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই ফিরে যান সাজঘরে। পাকিস্তানের শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। মুশফিকের বয়স এখন ৩৯। হয়ত, চলতি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপটার পর আর খেলবেন না। এর আগে দলের প্রতি নিজের নিবেদনে প্রশ্নবোধক চিহ্ন রাখবেন কেন? জন্মদিনে এটাই মুশফিকের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।










