রুবেলের মিস্ট্রি স্পিন ও শামীমের ফিফটিতে এইচপির হ্যাট্রিক জয়!

অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এইচপি দলের জয়রথ থামছেই না। ভিক্টোরিয়া একাডেমিকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। বল হাতে মোহাম্মদ রুবেলের মিস্ট্রি স্পিন, আর ব্যাট হাতে ইরফান শুক্কুর ও শামীম হোসেনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং—জয়ের ভিত গড়ে দেয় এই দুই পারফরম্যান্স।

অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এইচপি দলের জয়রথ থামছেই না। ভিক্টোরিয়া একাডেমিকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। বল হাতে মোহাম্মদ রুবেলের মিস্ট্রি স্পিন, আর ব্যাট হাতে ইরফান শুক্কুর ও শামীম হোসেনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং—জয়ের ভিত গড়ে দেয় এই দুই পারফরম্যান্স।

আগে ব্যাট করে ১৯.১ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় ভিক্টোরিয়া একাডেমি। তাদের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন রুবেল। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করে ৪ উইকেট নেন এই মিস্ট্রি স্পিনার। চার শিকারই ছিল বোল্ড। তাঁর বৈচিত্র্যময় স্পিনে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ভিক্টোরিয়ার ব্যাটিং।

রুবেলের এই পারফরম্যান্স ছিল টুর্নামেন্টে তাঁর দুর্দান্ত ধারাবাহিকতার আরেকটি উদাহরণ। নেপাল ‘এ’-এর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়ার পর হোবার্ট হারিকেনস একাডেমির বিপক্ষে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। এবার ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ৪ উইকেট। অর্থাৎ টানা তিন ম্যাচে তাঁর শিকার ১১ উইকেট।

১৩২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মাত্র ৩৭ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় এইচপি দল। সেই ধাক্কায় ফিরে যান গত ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করা সাব্বির রহমানও। সেখান থেকে শামীম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ইরফান শুক্কুর।

দুজনের ব্যাটে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। ইরফান ছিলেন ইনিংসের মূল ভরসা। ৩২ বলে ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ৩টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। চাপের মুহূর্তে বাউন্ডারি মেরে রান বাড়ানোর পাশাপাশি শামীমকে নিয়ে গড়ে তোলেন ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া জুটি।

অন্য প্রান্তে শামীম খেলেছেন আরও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ৩৩ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৩টি ছক্কা। ইরফান ১২০ রানে ফিরে গেলেও ততক্ষণে বাংলাদেশের জয়ের পথ অনেকটাই পরিষ্কার। এরপর আবদুল গাফফারকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করেন শামীম।

শেষ পর্যন্ত ১৭.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তুলে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ এইচপি। ৩৩ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকা শামীমের ব্যাটেই আসে জয়সূচক মুহূর্ত।

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে এটি বাংলাদেশের টানা তৃতীয় জয়। প্রথম ম্যাচে নেপাল ‘এ’, দ্বিতীয় ম্যাচে হোবার্ট হারিকেনস একাডেমির পর এবার ভিক্টোরিয়া একাডেমিকেও হারাল বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাই দুর্দান্ত ছন্দে বাংলাদেশ এইচপি। একদিকে রুবেলের রহস্যময় স্পিনে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ভাঙছে, অন্যদিকে চাপের মুহূর্তে ইরফান-শামীমের ব্যাট জয়ের পথ তৈরি করছে। টানা তিন জয় সেই ধারাবাহিকতারই প্রমাণ।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link