আট বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আবারও ঢাকার আকাশে উড়তে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল মহোৎসবের পতাকা। ২০২৬ সালের ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ফুটবল ইভেন্ট ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’। ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার সবুজ গালিচায় চলবে শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াই।
বাংলাদেশ শেষবার এই মর্যাদাপূর্ণ আসর আয়োজন করেছিল ২০১৮ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর টুর্নামেন্টটির ১৫তম আসর ফের বসছে ফুটবল উন্মাদনার এই উর্বর জনপদে।
ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ফুটবল সূচির ভিড়ে বড় দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে সমর্থকদের মনে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও সাফ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ দেশগুলো এই মুকুটের জন্য লড়তে মুখিয়ে আছে।

মাঠের লড়াই শুরুর আগেই এখন শুরু হয়ে গেছে রোমাঞ্চকর ক্ষণগণনা। প্রস্তুতির কর্মযজ্ঞ শুধু মাঠেই নয়, ছড়িয়ে পড়েছে নীতিনির্ধারকদের টেবিলেও। আগামী ২৫ জুলাই ঢাকায় উন্মোচিত হবে টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল লোগো। ঠিক এক সপ্তাহ পর, ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার ড্র। সেখানেই নির্ধারিত হবে গ্রুপ পর্বে কার কপালে জুটবে কোন প্রতিপক্ষ।
সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টেল এই আয়োজন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তার মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের হৃদয়ে এই টুর্নামেন্ট সবসময়ই বিশেষ জায়গা জুড়ে থাকে। বাংলাদেশে ফুটবলের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এই আসরকে ভিন্ন মাত্রা দেবে বলে মনে করেন এই নীতিনির্ধারক।
বিশ্বকাপের ব্যাপক উন্মাদনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হচ্ছে এই আঞ্চলিক লড়াই। আয়োজক হিসেবে ২০০৩ সালের সাফজয়ীরা একটি সফল ও আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট উপহার দেবে এমনই প্রত্যাশা সাফ কর্তৃপক্ষের।











