ভারতের দেয়াল টপকাতে পারল না বাংলাদেশ!

এই ম্যাচটা জিততে পারলে গ্রুপপর্ব পেরোনোর লক্ষ্যটা সহজ হয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশের নারীদের। কিন্তু, নিগার সুলতানার দল সেই কাজে ব্যর্থ হলো।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্নটা দেখতে না দেখতেই ভেঙে দিলেন বাংলাদেশের নারীরা। ভারতকে হারাতে পারলে সেই রাস্তাটা অনেকটাই সহজ হয়ে যেত। কিন্তু, নিগার সুলতানা জ্যোতিরা এই যাত্রায়ও পারলেন না। ব্যাট হাতে পর্যাপ্ত রান তুলতে না পারা, ফিল্ডিংয়ের বেহাল দশার কারণে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হলো ভারতের কাছে। 

টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়েছে বলা চলে না। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ওপেনার দিলারা আক্তার। তখন তিনে নামা সোবহানা মোস্তারির সাথে হাল ধরেন জুরাইয়া ফেরদৌস। দুজনে যোগ করেন ৫১ রান।

কাপ্তান নিগার সুলতানা এরপর ত্রিশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেললেও মিডল-অর্ডারের আর কারো কাছ থেকে বড় ইনিংস আসেনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ইনিংস শেষ করে আট উইকেটে ১৩৬ রান তুলে।

তাড়া করতে নেমে ভারতকে উড়ন্ত সূচনার দিকে নিয়ে যান শেফালি ভার্মা। স্মৃতি মান্দানা এক অংকের ঘরে ফিরে গেলেও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার সাথে মিলে লক্ষ্য কমিয়ে আনেন শেফালী। ডানহাতি এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ বলে ৫৪ রানের ইনিংস।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে বাংলাদেশের বোলাররা জয় ছিনিয়ে আনলেও আগের দিনের ক্ষিপ্রতা ভারতের বিরুদ্ধে ম্লান হয়ে ছিল। মারুফা আক্তার, রিতু মণিদের কাছ থেকে অনেকটা হেসে-খেলেই ম্যাচ বের করিয়ে নেয় ভারত। ১৩৭ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ১৯ বল হাতে রেখেই। পরিস্থিতি ব্যতিক্রম হতে পারত যদি বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া না হতো। 

এই ম্যাচটা জিততে পারলে গ্রুপপর্ব পেরোনোর লক্ষ্যটা সহজ হয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশের নারীদের। কিন্তু, নিগার সুলতানার দল সেই কাজে ব্যর্থ হলো। ভারতের কাছে হেরে যেত হলো পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link