এই তো সেই চিরচেনা হেড!

হাতে ধরা বস্তুটা ব্যাট নয়, ওটা সমরাঙ্গনে নামা এক যোদ্ধার তলোয়ার। যা কেবলই কচুকাটা করতে জানে প্রতিপক্ষকে। যা নিয়ে ট্রাভিস হেড নামক সেনানি কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলারদের সামনে হাজির হলেন। ফলাফল এক তাণ্ডব বয়ে গেল, যার চাক্ষুষ সাক্ষী হলো রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম।

হাতে ধরা বস্তুটা ব্যাট নয়, ওটা সমরাঙ্গনে নামা এক যোদ্ধার তলোয়ার। যা কেবলই কচুকাটা করতে জানে প্রতিপক্ষকে। যা নিয়ে ট্রাভিস হেড নামক সেনানি কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলারদের সামনে হাজির হলেন। ফলাফল এক তাণ্ডব বয়ে গেল, যার চাক্ষুষ সাক্ষী হলো রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম।

এবারের আসরে ফর্মটা আসা-যাওয়ার মধ্যেই আছে। অবশ্য গড়পড়তা কেউ হলে পরিসংখ্যানটা দেখে মন্দ বলার উপায় নাই। তবে নামটা তো ট্রাভিস হেড, তাঁর ব্যাটে ঝড় না দেখলে কি আর ক্রিকেটীয় মনের তৃষ্ণা মেটে!

আগের ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এবারের আসরে একটাও ফিফটির দেখা পাননি। সবাই তো ধরেই নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ অপাত্রে মাল্যদান করছে। তবে যত বড় মুহূর্ত, তত ভয়ঙ্কর হেড। সে ম্যাচে ৭৬ রান করে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ফিরে এসেছি, এবার বোলাররা প্রস্তুত হও।

দূর্ভাগ্যবশত কলকাতা হেডের রুদ্রমূর্তীর সামনে পড়ল। আর হেডও বুঝিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের জন্য তিনি কত বড় হেডেক। ২৮ বল মোকাবিলা করলেন, তাতেই ৬১ রান আদায় হলো। ফিরে যাওয়ার আগে ব্যাট চালিয়েছেন ২১৭ স্ট্রাইক রেটে। নিজের স্বভাবসুলভ মেজাজেই রাজত্ব করেছেন বাইশ গজে।

ম্যাচের শুরুতেই মোমেন্টাম নিজেদের দিকে নিয়ে আসার কাজটা হেডের থেকে ভালো কে জানে। আর প্রতিপক্ষ শিবিরেরও ধারণা আছে, ক্রিজে হেডের স্থায়িত্বকাল যত বেশি, জয়ের সম্ভাবনা তত কম।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link