ছক্কার ভিডিও দেখিয়ে ব্যাটিং অর্ডারে ‘প্রমোশন’ দাবি

অধিনায়ক তাঁর কথা রাখেনি। অধিনায়ক মোহাম্মদ হারিসকে নিজের ছক্কা হাঁকানোর পুরনো ভিডিও দেখিয়েও কোনো লাভ হয়নি। অগত্যা, তাঁকে নয় নম্বরেই ব্যাট করতে পাঠানো হয়।

অধিনায়কের মন জয়ের জন্য লোকে কত কি না করে। তবে, পাকিস্তানের জামান খান সবার থেকে এগিয়ে। তিনি অধিনায়কের সুনজরে থাকার জন্য অভিনব এক পন্থা অবলম্বন করলেন, যদিও তাতে বিন্দুমাত্র ভাল হয়নি।

জামান খান ব্যাটিং অর্ডারে একটু আগে নামতে চেয়েছিলেন। সেজন্য, দলের অধিনায়ককে নিজের পাঁচটি ছক্কা মারার ভিডিও দেখান তিনি। কিন্তু, তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। যথারীতি টেল এন্ডার হিসেবেই নামতে হয় তাঁকে।

পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ওয়ান ডে কাপে ‘হাস্যকর’ এই ঘটনা ঘটে। প্যান্থার্সের বিরুদ্ধে খেলা ছিল স্ট্যালিয়ন্সের। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রান করে প্যান্থার্স। স্ট্যালিয়ন্সের জামান চেয়েছিলেন রান তাড়ার লড়াইয়ে একটু উপরে ব্যাট করতে।

অধিনায়ক তাঁর কথা রাখেনি। অধিনায়ক মোহাম্মদ হারিসকে নিজের ছক্কা হাঁকানোর পুরনো ভিডিও দেখিয়েও কোনো লাভ হয়নি। অগত্যা, তাঁকে নয় নম্বরেই ব্যাট করতে পাঠানো হয়।

সেখানে অবশ্য নিজেকে ঠিকই প্রমাণ করেছেন জামান। ১৬ বলে ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। মারেন ছয়টি ছক্কা। তার পরেও ম্যাচ জিততে পারেনি স্ট্যালিয়ন্স। ২০ রানে হারে তাঁরা।

অধিনায়ক হারিস আক্ষেপ করতেই পারেন। আরেকটু আগে জামানকে নামানো গেলে, কে জানে ম্যাচটা হয়ত জিতেই যেত স্ট্যালিয়ন্স দল।

ম্যাচ শেষে জামান অবশ্য দাবি করেন, তাঁর কোনো আক্ষেপ নেই। অধিনায়ককেও কাঠগড়ায় তুলছেন না তিনি। বললেন, ‘অধিনায়ক হারিস আমার কাছে এসে বলল, ও ভুল করেছে। আমাকে আরও আগে নামান যেত বলেও বলেছে। তখন আমি বললাম, সেই জন্যই তো তোমাকে ভিডিওটা দেখিয়েছিলাম।’

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link