সিপিএলে মিরাজের ঘূর্ণিতে লণ্ডভণ্ড ত্রিনবাগো

সিপিএলে দ্বিতীয় ম্যাচেই আবারও জ্বলে উঠলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এর আগে সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন এই অফ স্পিনার। শুক্রবার  ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে সেটা ছাড়িয়ে যান তিনি, তুলে নেন ৪ উইকেট এবং একার কৃতিত্বে চারটি উইকেট ই নেন  বোল্ড করে। এমন পারফরম্যান্সে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স পায় ছয় উইকেটের সহজ জয়, আর মিরাজের হাতে ওঠে সিপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচসেরার পুরস্কার।

সিপিএলে দ্বিতীয় ম্যাচেই আবারও জ্বলে উঠলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এর আগে সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন এই অফ স্পিনার। শুক্রবার  ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে সেটা ছাড়িয়ে যান তিনি, তুলে নেন ৪ উইকেট এবং একার কৃতিত্বে চারটি উইকেট ই নেন  বোল্ড করে। এমন পারফরম্যান্সে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স পায় ছয় উইকেটের সহজ জয়, আর মিরাজের হাতে ওঠে সিপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচসেরার পুরস্কার।

অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত সময় কাটিয়ে ক্যারিবিয়ানে পা রেখেছিলেন মিরাজ। প্রথম টেস্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন, এরপর ডারউইন টেস্টে প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে নেন ৫ উইকেট। তার সেই বোলিংয়েই অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ। সেই ফর্মের ধারাবাহিকতাই যেন এবার সিপিএলেও টেনে আনলেন তিনি। মোহাম্মদ নবির বদলি হিসেবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে দলে আসেন মিরাজ, আর অধিনায়ক ইমরান তাহিরও অভিষেকের পরই তাকে বিশ্বমানের বোলার বলে প্রশংসা করেছিলেন। অধিনায়কের সেই আস্থার প্রতিদান এবার পারফরম্যান্স দিয়েই দিচ্ছেন মিরাজ।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেছিল নাইট রাইডার্স। কলিন মুনরো প্রথম ওভারেই ছক্কা মারেন। পরের ওভারে অ্যালেক্স হেলসও রানের গতি বাড়ান। পঞ্চম ওভারে দল যখন ৪১ রানে ১ উইকেট হারিয়ে ভালো অবস্থানে, তখনই আঘাত হানেন মিরাজ। এক ওভারে টানা দুই বলে বোল্ড করেন মুনরো ও নিকোলাস পুরানকে।

এরপর নাইট রাইডার্সের ইনিংসে লাগাম টেনে ধরে গায়ানার স্পিনাররা। পঞ্চম থেকে ত্রয়োদশ ওভারের মধ্যে মাত্র একটি বাউন্ডারি আসে, ঐ সময়ে আরও দুই উইকেট হারায় দলটি। দশম ওভারে আউট হন হেলস। ত্রয়োদশ ওভারে জাইড গুলিকে বোল্ড করে তৃতীয় উইকেট নেন মিরাজ। ১৫তম ওভারে সুনীল নারাইনকেও বোল্ড করে চতুর্থ শিকার করেন তিনি। মুনরো, পুরান, গুলি, নারাইন, চারজনই ফিরেছেন বোল্ড আউট হয়ে।

জাস্টিন গ্রিভস ৩৭ বলে ৩৫ রান করে লড়াই করলেও ১৭তম ওভারে শামার জোসেফের বলে বোল্ড হন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৬ রানে থামে নাইট রাইডার্স।

জবাবে ধীরগতিতে শুরু করে গায়ানা। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ৩৫ রান তোলে দল, ওই সময়ে আউট হন মাভেন্দ্রা দিন্দিয়াল। এরপর গ্লেন ফিলিপসকেও ফেরান উসমান তারিক। তবে শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারের ৪৯ রানের জুটি দলকে জয়ের পথে রাখে। ত্রয়োদশ ওভারে হেটমায়ারকে ফেরান নারাইন। শাই হোপ তখনো উইকেটে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে অপরাজিত ৪২ রান করে উনিশতম ওভারে চার ও ছক্কায় দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, ” আলহামদুলিল্লাহ, এটা আমার জন্য দারুণ মুহূর্ত। সিপিএলে এটাই প্রথমবার ম্যাচসেরা হওয়া, খুব উপভোগ করেছি। উইকেট স্পিনের জন্য সহায়ক ছিল বুঝেই স্টাম্প বরাবর বল করার চেষ্টা করেছি।”

এই জয়ে আসরের অষ্টম জয় পেল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। অন্যদিকে এই হারে প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link