মন্টেরেতে রুদ্ধশ্বাস এক রাতে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়েও ফয়সালা হলো না নেদারল্যান্ডস-মরক্কো লড়াইয়ের, ১-১ ব্যবধানে সমতায় থেকে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে, আর সেখানেই নায়ক বনে যান গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ও ইসমাইল সাইবারি।
প্রথমার্ধে দুই দলই ছিল কিছুটা সতর্ক, পরে বাহাত্তর মিনিটে কোডি গ্যাকপোর গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস, তবে যোগ করা সময়ে ইসা দিওপের হেডে সমতা ফেরায় মরক্কো। অতিরিক্ত সময়েও ভাঙেনি অচলাবস্থা, ফলে ম্যাচের ফয়সালা গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে।
শুরুতেই টিউন কুপমেইনার্সের গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। কিন্তু এরপরই দেয়াল হয়ে দাঁড়ান মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো, নিল এল আইনাউয়ির পর জাস্টিন ক্লুইভার্টের শটও দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি, ক্লুইভার্টের শটটি অবশ্য তার পায়ে লেগে বার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়, যা স্বস্তি এনে দেয় মরক্কো শিবিরে। জবাবে সুফিয়ান রাহিমি ও ওয়াত ওয়েগহর্স্ট দুজনেই লক্ষ্যভেদ করলে স্কোর দাঁড়ায় ২-১, এরপর চেমসদিন তালবির গোলে সমতা টানে মরক্কো, ২-২।

এরপরই শুরু হয় আসল নাটক। একে একে মিস করেন কুইন্টেন টিমবার, আশরাফ হাকিমি ও ক্রিসেনসিও সামারভিল, ফলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় মরক্কো শেষ শটে। আর সেই চাপ সামলে স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্তে নিখুঁত স্পট কিকে দলকে জয় উপহার দেন ইসমাইল সাইবারি। পুরো শ্যুটআউটে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ানো বুনো আর শেষ মুহূর্তের নায়ক সাইবারি, এই দুজনের হাত ধরেই উৎসবে মাতে মরক্কো।
এই জয়ে শেষ ষোলোয় কানাডার মুখোমুখি হবে মরক্কো, যাদের কোচ জেসে মার্শ নিজে গ্যালারিতে বসে দেখেন এই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।












