ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পতন আর বোধহয় থামবে না; একের পর এক প্লেয়ার সাইনিং, ডাগআউটে পরিবর্তন কোন কিছুই বদলাতে পারছে না তাঁদের ভাগ্য। রুবেন আমরিম কোচ হিসেবে আসার পর ভাল কিছুর স্বপ্ন দেখেছিলেন সমর্থকেরা তবে মৌসুমের মাঝামাঝি এসে সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে বৈকি।
ফেব্রুয়ারির শুরুর সপ্তাহে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে হেরেছিল রেড ডেভিলরা; তবু অফ ফর্মে থাকা টটেনহ্যামের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াবে তাঁরা সেটাই ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু কিসের কি, ঘুরে ফিরে একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটলো। জেমস ম্যাডিসনের একমাত্র গোলে সফরকারীদের হারিয়ে দিলো টটেনহ্যাম।
অথচ শুরুটা হয়েছিল দারুণ, ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মধ্যেই অন্তত দুইবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ম্যান ইউনাইটেড। তা হয়নি, উল্টো তেরো মিনিটের মাথায় গোল করে প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন ম্যাডিসন। প্রায় তিন সপ্তাহ চোটের সঙ্গে যুদ্ধ করে ফিরেছেন তিনি, আর ফেরার দিনেই বনে গেলেন নায়ক।

এরপর অবশ্য বলার মত কিছু হয়নি, রেড ডেভিলরা চেষ্টা করেছিল ম্যাচে ফেরার কিন্তু মাঠের খেলায় সেই চেষ্টা কোন ফল বয়ে আনতে পারেনি। ১৬টা শট নিয়েও কোন গোল করতে না পারা সত্যিই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার, যদিও টটেনহ্যাম আবার নিয়েছে ২২টা শট – অর্থাৎ দু’দলই সমানতালে খেলেছে, তবে শেষমেশ ব্যবধান হয়ে দাঁড়িয়েছে ম্যাডিসনের ওই গোলটাই।
এই নিয়ে চলতি মৌসুমে তিনবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারালো টটেনহ্যাম; লিগে প্রথম দেখায় ৩-০ গোলে জিতেছে তাঁরা। এরপর একই ইএফল কাপে একই ফলাফলের পুনরাবৃত্তি ঘটলো – একই মৌসুমে রেড ডেভিলদের তিনবার হারানোর ঘটনা সবশেষ ঘটেছিল ২০১২/১৩ সালে। চেলসি শেষ এমন লজ্জা উপহার দিয়েছিল তাঁদের।
আর লিগে এই পরাজয়ের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পয়েন্ট টেবিলের আরো নিচে নেমে গেলো, ২৫ ম্যাচ শেষে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১৫ নম্বরে আছে তাঁরা। রেলিগেশন জোন থেকে খুব একটা দূরে নয় কিন্তু!











