চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সাদা জ্যাকেটের নেপথ্যে

২০১৩ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। নিজেদের ইতিহাসের প্রথম, মহেন্দ্র সিং ধোনির দল সেবার সাদা জ্যাকেটে ট্রফি উদযাপন করে। এরপর তো কেটে গিয়েছে প্রায় এক যুগ, আর সুযোগ আসে না। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তো টিম ইন্ডিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান উঠেছিল মঞ্চে। কিন্তু এবার আর সেটা হয়নি। 

সাদা শুভ্রতার প্রতীক, কখনো আবার সফেদ আভিজাত্যেরও প্রতীক। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাদা কেবল চ্যাম্পিয়নদের রং, কেবল আরাধ্য শিরোপায় হাত রাখলেই গায়ে জড়ানো যায় মর্যাদার সাদা জ্যাকেট খানা। এইতো নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়ে ভারত তৈরি করলো সাদা জ্যাকেট পরার উপলক্ষ।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ বাদে আরেকটি মেজর ওয়ানডে টুর্নামেন্ট শুরু করে আইসিসি। বাংলাদেশের মাটিতে সেবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল মিনি বিশ্বকাপ, যা পরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হিসেবে বিখ্যাত হয়ে উঠবে। এরপর বেশ কয়েকটা আসর সফলভাবে আয়োজনের পর ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শুরু হয় টুর্নামেন্ট।

আর সেবারই ব্যতিক্রমী একটা জিনিস দেখেছিল ক্রিকেট বিশ্ব। চ্যাম্পিয়ন দলকে ব্যাজ অব অনার হিসেবে স্কোয়াডের সবাইকে একটা করে সাদা জ্যাকেট উপহার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেই অনন্য সিদ্ধান্তের প্রতিফলন এখনো দেখা যায়।

২০১৩ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল ভারত। নিজেদের ইতিহাসের প্রথম, মহেন্দ্র সিং ধোনির দল সেবার সাদা জ্যাকেটে ট্রফি উদযাপন করে। এরপর তো কেটে গিয়েছে প্রায় এক যুগ, আর সুযোগ আসে না। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তো টিম ইন্ডিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান উঠেছিল মঞ্চে। কিন্তু এবার আর সেটা হয়নি।

মজার ব্যাপার, ভারতেরই একজন শিল্পীর হাতে তৈরি হয়েছে সাদা জ্যাকেট। মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার ববিতা মালকানি এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান ববিতা এম কাজটা সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। ২০০৯ সালের ১৩ই এপ্রিল উন্মুক্ত করা হয় তাঁদের এই সৃষ্টি।

ট্যাক্সচার ও স্ট্রাইপে সমৃদ্ধ ইতালিয়ান সুতো ব্যবহার করা হয়েছে জ্যাকেটে। এতে সাদা রঙের, ওপর সোনালী বিনুনি করা আছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির লোগোটি সোনালী রঙের কাপড়ে এমব্রয়ডারি করা হয়েছে।

Share via
Copy link