তিন বছরের কম সময়ে তিনটা আইসিসি ট্রফি। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ভারতের জন্য এ ঘটনা চরম বাস্তবতা। দুর্দান্ত এই যাত্রার পেছনে অন্যতম বড় ভূমিকা প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারের। তাই তো তাঁকে আরও দীর্ঘদিন রেখে দেওয়ার চিন্তা করছে ভারতের বোর্ড।
ভারতে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। ব্যাট-বলের লড়াই দেশটিতে ধর্মের মতো বিবেচিত হয়। চেতন শর্মার জায়গায় যখন ২০২৩ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নির্বাচনের কাজ নেন, আগারকারের মাথায় চাপ ছিল প্রচুর।
প্রত্যাশার যে বিশাল পারদ নিয়ে চেয়ারে বসেছিলেন, আগারকার প্রায় সিংহভাগই পূরণ করতে পেরেছেন। তাঁর সময়ে ভারত জিতেছে পরপর দুই বিশ ওভারের বিশ্বকাপ। ঘরে এনেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও। বাকি শুধু ওয়ানডে বিশ্বকাপটাই।

চলমান চুক্তি শেষ হবে এই জুনে। তবে, পথচলা থেমে যাচ্ছে না। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের মতে আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় হতে যাওয়া একদিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব থাকছে আগারকারের হাতেই।
তবে, চিন্তাহীন থাকা সম্ভব হচ্ছে না ভারতের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের দলনেতা সুরিয়াকুমার যাদবের জন্য। যদিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কিন্তু, ব্যাট হাতে তাঁর ফর্ম ভুগাচ্ছে দলকে। দুই বছর পর হতে যাওয়া অলিম্বিক আর বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্যাটন সুরিয়ার হাতে দেখা যাবে কিনা তা জানে কেবল বিসিসিআই।
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই নিজের অগ্নিশর্মা রূপ দেখাচ্ছেন বৈভব সুরিয়াভানশি। ঘরোয়া ক্রিকেট আর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জুড়ে প্রতিভার চিহ্ন রেখে যাচ্ছেন ভারতের আরও অনেকে। এদের মধ্যে সেরাদের নির্বাচন করার কাজটা আরও লম্বা সময় পেলে আগারকার যে উপভোগ করবেন তা বলা যায় নি:সন্দেহে।











