ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়, এ যুগের ব্যাটাররা যেন এই লাইনটাকে ধারণ করে মনে প্রাণে। তাই প্রিয়ানশ আরিয়ারা উইকেটে নামলেই ঝড় ওঠে, ভেস্তে যায় বোলারদের পরিকল্পনা, ভেঙে যায় দম্ভ। ওরা শুধু বোঝে ব্যাট হাতে থাকলে মারতে হবে।
টি-টোয়েন্টির আধুনিক যুগে বোলারদের যেন করার কিছুই নেই। শুধু হাত থেকে বল ছাড়ো আর ব্যাটার কী করে সেটা দেখো। আর ব্যাটার যদি হয় বিবর্তনবাদের ধারক তবে তো কথায় নেই।
এদিন লখনৌ সুপার জায়ান্টসের জন্য এক কালো রাত হয়ে এলেন প্রিয়ানশ আরিয়া। শুরু থেকেই আগ্রাসনের এক্সিলারেটর চেপে ধরলেন। ব্যাটের ভাষা একটাই, বলটাকে স্রেফ মারতে হবে।

বোলার যেই হোক, কোনো ছাড় নেই। এই মন্ত্রে বলিয়ান হয়ে মাত্র ১৯ বলেই ফিফটি তুলেছেন প্রিয়ানশ। তবে ক্ষুধা কি আর তাতে মেটে? পাওয়ার প্লে শেষ হলেও তাই ঝড়ের রেশ কাটতে দিলেন না তিনি।
নিউ চন্ডিগড়ে তখন বৃষ্টি নামছে, চার-ছক্কার বৃষ্টি। যা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে লখনৌ-এর বোলারদের। আর একটু একটু করে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন আরিয়া। তবে হঠাৎ শান্ত হয়ে গেল আকাশ, থেমে গেল ঝড়ের প্রকোপ।
মিচেল মার্শের দুর্দান্ত ক্যাচে ৯৩ রানেই থামতে হলো প্রিয়ানশকে। সব গল্পের তো শেষ থাকে, কিছু গল্পের শেষে থাকে আক্ষেপও। তাই তো আরিয়ার সঙ্গী হলো মাত্র সাত রানের আক্ষেপ। তবে তাঁর আগে ৩৭ বলে তোলা ঝড়ে মন জয় করে নিয়েছেন সবাই।

Share via:











