কেমন কন্ডিশনে খেলা হচ্ছে, প্রতিপক্ষ কে, পিচই বা কেমন কথা বলছে, বল ছুঁড়ছে কারা; এসবের দিকে কোনো নজর নেই। অভিধানে আছে শুধু একটাই শব্দ। আক্রমণ। মাথা নিচু না করে শুধু আক্রমণের গান। কুপার কনোলি এমনই এক আক্রমণের সঙ্গীত শোনালেন।
আজকের দিনে এসে ক্রিকেটে এমন কিছু ব্যাটার এসেছে যাদের ব্যাটকে প্রতিদিন হাসতে দেখা যায় না। কিন্তু, যেদিন ব্যাট হাসে তখন একাই ম্যাচ জিতিয়ে দেওয়ার মতো ইনিংসের জন্ম হয়। কুপার কনোলি এমনই এক খেলোয়াড়। লখনৌ সুপারজায়ান্টসের বিরুদ্ধে নিজের পরিচয়টা আবারও দৃঢ় করলেন তিনি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার প্রভসিমরান সিং প্রথম ওভারেই আউট হয়ে হলে ২২ গজে নামেন কনোলি। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন তাঁরই সমগোত্রীয় ব্যাটার প্রিয়ানশ আরিয়াকে। এরপর আর কোনো কথা নেই।

লখনৌর বোলিং লাইনআপকে কোনো অর্থেই দুর্বল হিসেবে অভিহিত করা যায় না। কিন্তু, কনোলি নামের আগুনের সেদিকে নজর দেওয়ার সময়ই বা কোথায়। যিনি সামনে এসেছেন, বরণ করে নিতে হয়েছে ভয়াবহ পরিণতি।
১৪তম ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে খেলার সুযোগ আসে ৩৪ বল। তাতে চার-ছক্কার মেলা বসিয়েছিলেন এই অজি বাঁহাতি। আট চার আর সাত ছক্কায় নামের পাশে ৮৭ রান। স্ট্রাইকরেট ঈর্ষণীয়ভাবে ১৮৯।
প্রথম ম্যাচের পর কনোলির কাছ থেকে বড় ইনিংস পায়নি পাঞ্জাব কিংস। ব্যাটের মধ্যে যে রাগ জমে ছিল লখনৌর সাথে তা উপড়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তাই তো হাতছাড়া করলেন না।











