৩০০ রানের উইকেটে আড়াইশ-ও করতে পারল না বাংলাদেশ দল। তানজিম হাসান সাকিবের ক্যামিওতে লড়াইয়ে পুঁজি পেল বাংলাদেশ, তবে সেটা আর প্রেমাদাসার ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে যথেষ্ট নাকি, সে নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়!
বাংলাদেশ পুরো ইনিংস জুড়েই কখনও ওভার প্রতি সাড়ে ছয়, কখনও সাড়ে পাঁচ হারে রান তুলেছে। সেই হিসেবে দিব্যি রানটা তিনশ’র ওপর যেত। কিন্তু, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর চাপ নিতে হয় বাংলাদেশকে।
বড় জুটি না আসায় একটা সময় ‘নেতিবাচক’ ক্রিকেট খেলেন দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলী। তাঁদের জুটি কার্যত দলের রানের গতি কমিয়েছে, দলকে ম্যাচ থেকে সরিয়ে দিয়েছে।

৪০ বলে ২৪ রান। ব্যাটিং অর্ডারে তিনি যখন নেমেছেন, তখন তিনি উইকেটে সেট হওয়ার দিকেই জোর দেন বেশি। যখন পাওয়ার হিটিং করতে গিয়েছেন তখনই আউট হয়ে গেছেন। জাকের আলী এই কৌশলে আগের ম্যাচে সফল হয়েছেন, এই ম্যাচে তাঁর নিয়মিত প্ল্যান কোনো কাজে আসেনি।
একটা প্ল্যান ‘বি’র দরকার ছিল। সেটা আনতে পারেননি তিনি। পাওয়ার হিটিং শেষের দশ ওভারের জন্য জমিয়ে রেখে নব্বই দশকের মত একালেও সফল হওয়া যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখন পাল্টে গেছে। সেই বদলে যাওয়া ধারার সাথে তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ।
একই কথা তাওহীদ হৃদয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু, ৫১ রান করেছেন ৬৯ বল খেলে। মিডল অর্ডারে এমন ৭২-৭৩ স্ট্রাইক রেটের ইনিংস পুরো ব্যাটিং অর্ডারকে চাপে ফেলে দেয়। তিনিও শেষের জন্য হাত খুলে খেলাটা জমা রেখেছিলেন, রান আউট হয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাও জমা দিয়ে আসলেন।

ভাগ্যিস শেষ উইকেট জুটিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে ৩০ টা রান যোগ করতে পেরেছিলেন তানজিম সাকিব। সে জন্যই স্কোরবোর্ডটা কিছুটা ভদ্রস্ত দেখা গেল। তারপরও শেষ চার ওভার এক বল ব্যাটিংই করতে পারল বাংলাদেশ। পারলে হয়তো দৃশ্যটা ভিন্ন হতে পারত।










