মাঠে ঢুকেই সেন্টার উইকেটে চলে গেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের রহস্য ভাঙতে চান তিনি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করতে চান। লম্বা সময় কথা বললেন টনি হেমিংওয়ের সাথে।
রহস্য ভাঙল কি না বোঝার উপায় নেই, তবে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে যে টিম ম্যানেজমেন্টের রহস্য ভাঙেনি সেটা চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায়। বিশেষ করে তাঁর ব্যাটিং নিয়ে দলের মাথাব্যাথার শেষ নেই।
টিম ম্যানেজমেন্টের ভিতরে এখন গুঞ্জন, মিরাজ অনেক সময় নিজ সিদ্ধান্তেই মিডল অর্ডারে নামছেন, যেখানে তাঁর নামটা আসলে ছিল নিচের দিকে। ফলাফল— দলের ব্যাটিং ছন্দ নষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে চাপে পড়ছে ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোতে।

বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক ম্যাচে তাঁর এই সিদ্ধান্ত দলের স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলেছে। মিরাজের স্ট্রাইক রেটও সব সময় দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নয়, উল্টো ইনিংসের গতি থেমে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। আড়ালে কেউ কেউ তাঁকে ‘স্বার্থপর’ অধিনায়কও বলছেন।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভুল সময়ে নেওয়া ডিআরএসের সিদ্ধান্ত, যা একাধিকবার দলের বিপক্ষে গেছে। এইসব মিলিয়ে মিরাজকে নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনা এখন তুঙ্গে।
তবে মিরাজের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলছে না। তিনি লড়াকু, মাঠে মনোযোগী। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুধু মনোযোগ নয়, সিদ্ধান্তও হতে হয় কৌশলগত— আর এখানেই হয়তো মিরাজকে নতুন করে ভাবতে হবে, নিজের জন্য নয়, দলের জন্য।

মিরাজের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত প্রচণ্ড ব্যর্থ এক দল। ১১ ওয়ানডেতে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন মাত্র দু’টিতে। এই ভরাডুবি ঠেকাতে উইকেটের চূড়ান্ত সুবিধা নিতে মরিয়া মিরাজ। কিন্তু, তাঁর ইদানিংকার স্বেচ্ছাচারী আচরণে দল এখন আরও বেশি মরিয়া হয়ে উঠেছে।










