মাহমুদউল্লাহর নিজেকে প্রমাণের শেষ আয়োজন!

নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ হিসেবে এ যাত্রায় পেয়েছেন রংপুর রাইডার্সকে। শো টাইম শুরুর আগে বিপিএলের পুরোনো ডায়েরির পাতা ঘেঁটে রিয়াদের পারফরম্যান্স নিয়ে একটু স্মৃতিচারণ করা যাক।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঘড়ির কাঁটা শেষের সময় গুনছে। তবে স্রোতের বিপরীতে হাঁটছেন তিনি, উপেক্ষিতও হতে হচ্ছে বারবার। তবুও অটুট সংকল্প মনে ধারণ করে শেষ বেলায় সেই উপেক্ষার শেষ জবাব হয়তো দিয়ে যেতে চান। তাই তো নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ হিসেবে এ যাত্রায় পেয়েছেন রংপুর রাইডার্সকে। শো টাইম শুরুর আগে বিপিএলের পুরোনো ডায়েরির পাতা ঘেঁটে রিয়াদের পারফরম্যান্স নিয়ে একটু স্মৃতিচারণ করা যাক।

নামের পাশে এখনও জ্বলজ্বল করছে দেশসেরা ফিনিশারের তকমাটা। জাতীয় দল কিংবা ঘরোয়া লিগ সবখানেই যে পরীক্ষিত তারকা তিনি। এখন পর্যন্ত বিপিএলে হওয়া ১১ আসরে ভিন্ন ভিন্ন ছয় দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন রিয়াদ। বয়সটা এখন ৪০ ছুঁইছুঁই, তাই তো একটা শঙ্কা ছিল ১১-তেই কি সব শেষ!

না, এবারও রিয়াদ থামছেন না। রংপুর রাইডার্সে প্রথমবারের মতো ঠিকানা গেড়েছেন। তারকায় ঠাসা দলটি ফিনিশিং রোলের জন্য এখনও ভরসা রাখছে বুড়ো রিয়াদের কাঁধেই।

এখন পর্যন্ত ১১ আসরে রিয়াদ খেলেছেন ১৩৩ ম্যাচ। মুশফিকুর রহিমের পরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ সংখ্যাটা তাঁরই। ২৭২৬ রান নিয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক তিনি। গড়ের হিসাবটা ২৭.৫৩। জাতীয় দলের জার্সিতে যে সংখ্যাটা ২৩-এর সামান্য উপরে।

তবে স্ট্রাইক রেটের হিসাব টানলে সেখানে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১২৪। এ তো গেল ব্যাটিংয়ের হিসাব। বিপদে হাত ঘোরাতেও যে পারদর্শিতা দেখাতে পারেন রিয়াদ, সে তো সবারই জানা। ১১ আসরে ৪৭ উইকেটও আছে নিজের ঝুলিতে। তাই তো কম্বো হিসেবে রিয়াদ যে বেশ কার্যকরী, সে বয়সটা যতই হোক না কেন।

অভিজ্ঞতা, বিপদে দলের হাল ধরা, যেকোনো মুহূর্তে ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হওয়া, রংপুর এসবেই যে আস্থা রেখেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উপর। রিয়াদ নিশ্চয়ই এই আস্থার প্রতিদান দিতে চাইবেন, পড়ন্ত বেলায় মনে রাখার মতো কিছু একটা করে যেতে চাইবেন নিশ্চয়ই।

Share via
Copy link