চার ছক্কার ঝঙ্কারে শেষ হাসি হেসেছে শ্রীলঙ্কা। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাউন্ডারি হয়েছে মোট ৪৭টি। ছক্কার সংখ্যা ১৮টি। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ওভার কেটেছে, কিন্তু বিনোদনের অভাব হয়নি। ডাম্বুলার মাঠ ভর্তি দর্শকদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়নি।
ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টির জলে। একই পথে অগ্রসর হচ্ছিল তৃতীয় ম্যাচও। কিন্তু বৃষ্টি একটা পর্যায়ে থামল। টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। বৃষ্টিতে উইকেটে জমা আদ্রতার ব্যবহার করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু ১২ ওভারে ম্যাচে শ্রীলঙ্কান ব্যাটাররা হয়ে উঠলেন এক একটি আগুনের গোলা।
একাধিক বল মোকাবেলা করে ১৫০ স্ট্রাইকরেটের নিচে ব্যাটিং করেছেন স্রেফ ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। বাউন্ডারির পসরা সাজিয়ে বসেন লঙ্কান ব্যাটাররা। দাসুন শানাকা তো আরেক ধাপ এগিয়ে। শেষের দিকে পাঁচ খানা ছক্কায় তিনি স্কোরবোর্ডে জুড়ে দিলেন স্রেফ নয় বলে ৩৪ রান। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১২ ওভার শেষে দাঁড়িয়ে রইল ১৬০ রানে।

এত বিশাল এক লক্ষ্যমাত্রায় পাকিস্তানি ওপেনারদের উপরই ছিল দলটি সকল ভরসা। কিন্তু তারা হতাশ করলে দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। তার ব্যাট থেকে ১২ বলে এলো ৪৫ রান। পাঁচ চার ও তিন ছক্কার ৩৭৫ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিও বাঁচাতে পারেনি পাকিস্তানকে।
দলের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছেন, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। লঙ্কান বোলারের পকেটে গিয়েছে চার খানা উইকেট। সেখানেই বরং মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তানের সমস্ত লড়াই। শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২১ রান। তবে প্রথম বলেই ফাহিম আশরাফের রান আউট ছিল পাকিস্তানের কফিনের শেষ পেরেক।
শেষ অবধি ১৪৬ রান অবধিই পৌঁছাতে পেরেছে পাকিস্তান, নিজেদের ৮টি উইকেট হারিয়ে। ১৪ রানের দারুণ জয়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষ করে ১-১ সমতায়। বিশ্বকাপের আগে এই একটি ম্যাচই বনে যেতে পারে শ্রীলঙ্কার আত্মবিশ্বাসের উৎকৃষ্ট অনুপ্রেরণা।












