আম্পায়ার কুমার ধর্মাসেনা ওয়াইড কল করলেন। লিটন দাসের পরামর্শে রিভিউ নিয়ে জানা গেল বল লেগেছিল শাহীন শাহ আফ্রিদির ব্যাটে। পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচের শেষ ওভারটা ছড়াল দারুণ উত্তেজনা। রিশাদ হোসেনের নিয়ন্ত্রিত ও বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে ১১ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
একটা দোটানার সৃষ্টি হয়েছিল। শেষ ওভার করবে কে? বোলিং বিকল্প হিসেবে বাকি ছিলেন কেবল তিন স্পিনার। তাদের মধ্য থেকে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বেছে নিলেন রিশাদকে। বেশ গুরু দায়িত্ব। ডিফেন্ড করতে হবে ১৪ রান। দিনটা রিশাদের কেটেছিল বেজায় বাজে। আগের ছয় ওভারে তার খরচা ছিল ৫৪ রান।

এমন একজন বোলারের উপর আস্থা রাখা মোটেও সহজ কাজ ছিল না মিরাজের জন্য। গুগলি আর লেগ স্পিনের মিশেলে রিশাদ হতাশ করলেন না একটুও। প্রথম বলে আদায় করে নিলেন ডট। আগের ওভারেও বাউন্ডারি হাঁকানো শাহীন শাহ আফ্রিদি দাঁড়িয়ে রইলেন নিরুপায় ভঙ্গিমায়। এরপরের বলে তেড়েফুড়ে শট খেলে ক্যাচ তুলে দিলেন আফ্রিদি। কিন্তু রিশাদ দৌড়ে গিয়েও ক্যাচ করতে পারেননি তালুবন্দী।
তৃতীয় বলে দুইটি রান বের করে শাহীন আবার ফিরলেন ব্যাটিং প্রান্তে। চতুর্থ বলে ডট আদায় করলেন রিশাদ। এরপরের বলটা রিশাদ করেছিলেন লেগ স্ট্যাম্প চ্যানেলে। সেটিই লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে দিয়ে গিয়ে জমা হল লিটনের দস্তানায়। আম্পায়ার ওয়াইড দিলেন। লিটন সেই মুহূর্তেই প্রতিক্রিয়ায় জানান বল লেগেছে ব্যাটে।

রিভিউ নিয়ে দেখা গেল সত্যিই বল লেগেছিল ব্যাটে। দুই বলে তখন প্রয়োজন ছিল ১২ রান। সমীকরণ দাঁড়িয়ে গেল এক বলে ১২। অসন্তুষ্ট শাহীন শেষ বলে তেড়েফুড়ে এগিয়ে এসে গিয়ে স্ট্যাম্পিং আউট হলেন। তাতে করে ১১ রানের জয় নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ।











