ভারত টি-টোয়েন্টি দলের পরিকল্পনায় আপাতত নেই শ্রেয়াস আইয়ার। তবে দরজায় কড়া নেড়ে যাচ্ছেন প্রতিটা ইনিংসের মাধ্যমে। অবহেলার বিপরীতে দাঁড়িয়ে নীরব বিল্পব চালাচ্ছেন ব্যাট হাতে। বুঝিয়ে দিচ্ছেন সুরিয়াকুমার যাদব পরবর্তী যুগে ভারতের হাল ধরতে প্রস্তুত তিনি।
একজন আদর্শ দলনেতার কাজ কি? দলের বিপদে হাল ধরা, কান্ডারি হয়ে পথ দেখান, সবাইকে আগলে রাখা, জয়ের পাল্লা ভারি করা এসবই তো। আইয়ার যোগ্য নেতার মতোই আগলে রাখছেন পাঞ্জাবকে।
২১০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিলেন দলকে। কুপার কলোননির জন্য নিজের জায়গা ছেড়েছেন। চার নম্বরের দায়িত্ব এখন তাঁর কাধে। সেটা পালন করলেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে।

২৯ বলে ৫০ রানের নির্ঝঞ্জাট ইনিংস। এটাই মূলত অনায়সে খেয়া পার করে পাঞ্জাবকে নিয়ে গেল জয়ের বন্দরে। চেন্নাই হারল পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। আর আইয়ার জাদু কাঠির ছোঁইয়াতে পাঞ্জাবের অবস্থান এখন পইয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে।
ব্যাট হাতে কিংবা নেতৃত্বগুণে, আয়ার সবসময় মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। তবে ভারতীয় দলে উপেক্ষিত এক সত্তা তিনি। কম্বিনেশনের দোহাই দিয়ে বারবার বাতিলের খাতায় রাখা হয় তাঁকে। আইয়ারও মুখ বুঝে সব সহ্য করে নেন। অপেক্ষা করেন সুদিনের। তবে সেটা আর আসেনা।
এবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসেছে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স কিংবা নেতৃত্বের সাফল্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সুদিন বেশি দূরে নয়। সুরিয়াকুমারের বয়স শেষের গল্প বলছে, প্রাপ্তিও আছে ক্যারিয়ারে। এখন সময় এসেছে নতুন কারও হাতে সব বুঝিয়ে দেওয়ার, সেটা শ্রেয়াস আইয়ার কেন নয়?












