পাদ্দিকালের দৈবিক নবজন্ম

একাধিকবার দল বদলানোর পর আবার গত বছরে ফিরে আসেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে। সেখানেই শুরু।

রান পেলেও দেবদূত পাদ্দিকালের  সমস্যা ছিল স্ট্রাইক রেটে। টি-টোয়েন্টিতে, বিশেষ করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএল) ব্যাট চালানোর ক্ষেত্রে গত কিছু বছরে যেভাবে বিবর্তন হয়েছে, তার সাথে তাল মেলাতে পারছিলেন না। গত বছর থেকে স্ট্রাইক রেটের সমস্যা ঝেড়ে ফেলেছেন।  আগ্রাসী ব্যাটিং করেও যে ধারাবাহিক থাকা যায়, সেটারই প্রমাণ রাখছেন এখন।

করোনা মহামারি যখন তান্ডব চালাচ্ছে বিশ্বজুড়ে, আইপিএলে পাদ্দিকালের আগমণ ঘটেছিল সেই সময়েই। চারশোর চেয়েও বেশি  রান করেছেন নিজের খেলা প্রথম দুই আসরে।৩০-এর বেশি গড়ে স্ট্রাইক রেট ছিল সেইসব দিনের জন্য মানানসই।

দিন শেষে যেমন করে রাত আসে, অন্ধকার গিলে নেয় চারিপাশ, তেমনি আলো ফুরিয়ে এসেছিল পাদ্দিকালের ক্যারিয়ারেও। নতুন সময়ের ব্যাটিংয়ের ধারার সাথে কেন যেন নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না এই বাঁহাতি ব্যাটার।

আইপিএলকে ব্যাটারদের লিগ বলা যায়। প্রতিদিন রানের বন্যা বয়ে যাচ্ছে, উঠছে চার-ছক্কার ঝড়। পাদ্দিকাল এমন ভাবে ব্যাট করেছেন যেন তিনি এই যুগের নন। নিয়মিত রান করা কিংবা ভালো স্ট্রাইকরেট ধরে রাখা, কোনোটাই সম্ভব হচ্ছিল না তাঁকে দিয়ে।

একাধিকবার দল বদলানোর পর আবার গত বছরে ফিরে আসেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে। সেখানেই শুরু। স্ট্রাইকরেট ছিল ১৫০-এর ওপরে। সেটা হয়তো ছিল নতুন করে পাদ্দিকালের পূনর্জন্মের ট্রেইলার।

এবারের আসরে দুই ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। দু্টোতেই অর্ধশতক তুলেছেন।  রানও করেছেন ২০০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটে। নতুন যুগের ব্যাটিং আর ধারাবাহিকতার মিশেলে এ যেন পাদ্দিকালের দৈবিক নবজন্ম।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link