ব্যাটটা যেন ধারালো তরবারি, যা দিয়ে অভিষেক শর্মা কচুকাটা করেন বল এবং বোলারদের। তাঁর সামনে দাঁড়ানো মানেই বিপদ। ১৫ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে আরও একবার বলে গেলেন, এ ঝড় বড় ভয়ঙ্কর।
যেদিন জ্বলে ওঠেন সেদিন ব্যাটের আঘাতে ভয় ধরাতে পারেন যেকোনো বোলারের মনে। অভিষেকের এমনই এক রূপ দেখতে পেল চেন্নাই সুপার কিংস।
১ম, ৩য় কিংবা ৫ম; দলের বিজোড় সংখ্যক কোনো ম্যাচেই ব্যাট হাসেনি সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের এই ওপেনারের। বাঁহাতি এই ওপেনার যেন একদিন করে বিশ্রাম নেন, পরের ম্যাচে ঝড় তোলার আগে। সেই ঝড়েরই সামনে পড়লো ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের দল।
ঘরের মাঠ রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করার সুযোগ আসে অভিষেকদের জন্য। প্রথম ওভারটা একটু দেখে নিয়ে আক্রমণ চালাতে শুরু করেন দ্বিতীয় ওভার থেকেই। চার হোক কিংবা ছয়, সমানে মেরেছেন সবকিছুই।
চেন্নাই পেসার অথবা স্পিনার, অভিষেক সমীহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখেননি কারো দিকেই। সেই পথেই তুলে নিয়েছেন হায়দ্রাবাদের ব্যাটারদের ইতিহাসের দ্রুততম অর্ধশতকটি।
শেষমেষ ফিরেছেন ২২ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে। ম্যাচের শুরুতেই নিজের কাজটা পুঙ্খানুপুঙ্খ করে গেছেন তিনি, ব্যাট চালিয়েছেন ২৬৮ স্ট্রাইক রেটে।
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের দর্শকেরা প্রতিদিনই প্রার্থনা করেন, অভিষেকের তান্ডব দেখার সুযোগ যেন হয়। যদিও তাদের স্বপ্ন প্রতিদিন পূরণ হয় না, কিন্তু, অভিষেকের ব্যাট যেদিন কথা বলে সেদিন বাকি সবাইকে যে চুপ করে থেকে শুধু উপভোগ করে যেতে হয়।