
অ্যালেন ঝড়ে কাঁপল ইডেন!
সাত রান পেয়ে গেলে অমরত্বের স্বাদ পাওয়া যেত। তবে ফিন অ্যালেনের ভাগ্যে সেটা জোটেনি। তাতে কী, ৯৩ রান যে এক ধ্বংসের সুর হয়ে প্রতিপক্ষের কানে বেজেছে।

সাত রান পেয়ে গেলে অমরত্বের স্বাদ পাওয়া যেত। তবে ফিন অ্যালেনের ভাগ্যে সেটা জোটেনি। তাতে কী, ৯৩ রান যে এক ধ্বংসের সুর হয়ে প্রতিপক্ষের কানে বেজেছে।

অ্যালেনের ব্যাট যখন হাসে, তখনই কোনো বোলারের কিছুই করার থাকে না। দুমড়ে-মুচড়ে যায় প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস, তারা শুধু দর্শক হয়ে অপলক তাকিয়ে দেখে ভিন্ন জগতের কেউ এসে গোলকটাকে স্রেফ বাউন্ডারির ওপারে পাঠাচ্ছে।
২১ বলে ফিফটি তুলেছেন, মোহাম্মদ সিরাজ, রশিদ খানদের মতো বোলাররা অসহায় তাকিয়ে দেখেছে সে ঝড়। তবে ক্ষুধা নিবারণ হয়নি অ্যালেনের। তার চায় আরও রান। সেঞ্চুরির হিসাবটা মাথায় আনেননি, শুধুই মারতে হবে—এই মন্ত্রে বলীয়ান থেকেছেন। তাই তো ৩৫ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেই ফিরতে হয়েছে সাজঘরে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার, এই ইনিংস খেলতে তিনি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ১০টি। এটাই মূলত বুঝিয়ে দেয় কী গেছে বোলারদের উপর দিয়ে। আক্ষেপ থাকলেও দর্শকদের পয়সা উশুল করে দিয়েছেন ফিন অ্যালেন।
Share via:
স্টাফ রিপোর্টার

শ্রীলঙ্কার ফাইনালের স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেই, ড্রেসিংরুমে চাপা উৎকণ্ঠা। ঠিক এমন সময় ক্রিজে জুটি বাঁধেন হারশিথা সামারাবিক্রমা ও কাভিশা দিলহারি। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি, আর এই জুটিই বদলে দেয় ম্যাচের রং। তাদের হাত ধরেই শেষ পর্যন্ত ফাইনালের টিকিট পায় শ্রীলঙ্কা।

দুবাইয়ে উইমেনস এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টান টান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠল শ্রীলঙ্কা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তোলে ১৩০ রান। জবাবে শ্রীলঙ্কা লক্ষ্য পার করে ১৮.৫ ওভারে, হাতে রেখে দেয় ৪ উইকেট।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট অবহেলিত, এরা পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না, এদের ক্যাম্প হয় না, সুযোগ-সুবিধা নেই, বেতন-ভাতা নিয়েও ওঠে অনেক কথা। এ যুগ হয়েছে বাসি। বছর তিনেক আগে এসব বললে হয়তো পার পাওয়া যেত, তবে বর্তমানের বাস্তবতা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও উন্নতি নেই দেশের ক্রিকেটে। নতুন করে ঢালাওভাবে সাজাতে হবে দলটাকে।

জ্যোতি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটকে অনেক কিছু দিয়েছেন, এটা সত্যি। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে যে কাজটা সবচেয়ে জরুরি, বড় ম্যাচে দলকে জিতিয়ে আনা, চাপের মুহূর্তে নিজে দাঁড়িয়ে পথ দেখানো, সেই জায়গাতেই বারবার আটকে গেছেন তিনি। লড়াই শেখানোর কাজটা তিনি করেছেন। এখন সময় এসেছে সেই লড়াইকে জয়ে রূপান্তর করার মতো কাউকে খোঁজার।
