হারারে টেস্টের দ্বিতীয় দিনের পুরোটা ছিল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের দখলে। প্রথম দিন ১৩৬/১ থেকে শুরু করে ইনোসেন্ট কাইয়ার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৪১০ রানে অলআউট হয় তারা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ১৪০ রানের জবাবে ২৭০ রানের বড় লিড নেয় স্বাগতিকরা।
দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন ইনোসেন্ট কাইয়া। ১৪০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে তিনি দলের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। এরপর ক্রেইগ আরভিন করেন ৬০ রান, ওয়েসলি মাধেভেরে ৭৭ এবং ব্রায়ান বেনেট ৫৯ রান যোগ করেন। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে রান বাড়িয়ে জিম্বাবুয়ে পৌঁছে যায় ৪১০ রানে।
বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন তাইজুল ইসলাম। টানা ৪০.৪ ওভার বল করে ১৩৮ রানে তুলে নেন ৭ উইকেট। এই দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১৯তম পাঁচ উইকেট শিকারের রেকর্ডেও নাম লেখান তিনি। খালেদ আহমেদ নেন ২ উইকেট, আর জিম্বাবুয়ের আরেকটি উইকেট আসে রানআউট থেকে।

২৭০ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেও শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ৯ রান করে আউট হন ওপেনার শাদমান ইসলাম। তবে এরপর মাহমুদুল হাসান জয় ও মোমিনুল হক দিনের বাকি সময়টা আর কোনো বিপদ হতে দেননি।
দিন শেষে ৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪০/১। মাহমুদুল হাসান জয় ২১ এবং মোমিনুল হক ৯ রানে অপরাজিত আছেন। এখনও জিম্বাবুয়ের চেয়ে ২৩০ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় দিনে ম্যাচে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের ব্যাটারদের বড় দায়িত্ব নিতে হবে। জয় ও মোমিনুলের জুটি যত দীর্ঘ হবে, ততই ম্যাচে ফেরার আশা বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে। তবে দ্রুত উইকেট হারালে ম্যাচে জিম্বাবুয়ের দাপট আরও বাড়বে।












