এই বিশ্বকাপে এতটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি লিওনেল মেসি আগে হননি। এবার হলেন। আর যথারীতি জিতলেনও। প্রথমার্ধের মহাগুরুত্বপূর্ণ গোল, অতিরিক্ত সময়ের দুই গোলে সরাসরি অবদান – সব মিলিয়ে কেপ ভার্দের লড়াকু পারফরম্যান্স ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় হাইলাইটস আসলে লিওনেল মেসির জাদুকরী ফুটবল।
বয়স ৩৯ বছর ১০ দিন। ফিফা বিশ্বকাপের টানা অষ্টম ম্যাচে গোল পেলেন। সম্ভবত গোল করাটাই এই মুহূর্তে লিওনেল মেসির জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ। চলতি বিশ্বকাপেই সপ্তমবারের মত জালে বল জড়ালেন, অথচ খেলেছেন মাত্র চারটা ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্রথম একাদশেই ছিলেন না।

অবশ্য, কেপ ভার্দের বিপক্ষে জালের দেখা পাওয়ার জন্য মেসি তো বটেই পুরো আর্জেন্টিনা দলকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। আর্জেন্টিনা জিতেছে শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতার জন্যই। সুযোগ সন্ধানী মেসির ভূমিকার পুরোটা কাজে লাগাতে পেরেছে আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক আগে থেকেই মেসি। এখন তাঁর গোল ২০ টি। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁতে আর ছয়টি গোল দূরে দাঁড়িয়ে মেসি। চারটা ম্যাচে ছয়টি গোল পাওয়া মেসির জন্য দু:সাধ্য কোনো ব্যাপার নয়। আর সেই রেকর্ড মেসি ছুঁতে পারলে আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ও অসম্ভব কিছু নয়।











