শেষ ষোলোর মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে ইংল্যান্ডের লড়াইয়ের বাঁশি যেন অনেক আগেই বেজে উঠেছে। রাউন্ড অফ ১৬ এ মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়ার আগেই বজ্রঝড়ের শঙ্কা, পাহাড়ি উচ্চতার শারীরিক চাপ, হোটেলের নিরাপত্তা আর নিদ্রাহীনতার আশঙ্কাও সমান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে।
রোববার (৫ জুলাই) মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকায় স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে থমাস টুখেলের দল। তবে শহরে পৌঁছানোর মুহূর্তেই শত শত স্থানীয় সমর্থকের দুয়ো আর ‘মেক্সিকো’ ধ্বনি স্বাগত জানায় ইংল্যান্ডকে।
এর আগে একই শহরে ইকুয়েডরের ফুটবলারদের রাতভর হর্ন, লাউডস্পিকার ও মোটরসাইকেলের শব্দে বিরক্ত করার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর ইংল্যান্ডের হোটেলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। খেলোয়াড়দের জন্য রাখা হয়েছে হোয়াইট-নয়েজ মেশিন, প্রাকৃতিক ঘুমের সহায়ক উপকরণ; কেউ কেউ ব্যবহার করবেন ইয়ারপ্লাগও।

তবে ইংলিশদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার নাম প্রকৃতি। ম্যাচের আগে ফিফা ঝড়ের আশঙ্কায় কিক-অফ ছয় ঘণ্টা এগিয়ে আনার কথাও ভেবেছিল। শেষ পর্যন্ত সময় অপরিবর্তিত থাকলেও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির ঝুঁকি রয়ে গেছে। প্রয়োজনে ম্যাচ বিলম্বিতও হতে পারে।
থাকছে উচ্চতার চ্যালেঞ্জও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ২৪০ মিটার ওপরে অবস্থিত মেক্সিকো সিটিতে অক্সিজেনের ঘাটতি খেলোয়াড়দের সহনশক্তিকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উচ্চতায় সর্বোচ্চ অ্যারোবিক সক্ষমতা প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বিপরীতে মেক্সিকো টুর্নামেন্টজুড়েই উচ্চতায় খেলায় স্বাভাবিক সুবিধা পাচ্ছে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গোপন কৌশল ফাঁস হওয়ার শঙ্কা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতেই ইংল্যান্ড শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পে অনুশীলন চালিয়ে গেছে।











