হারারেতে টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা এখনও তাজা থাকলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থেমে থাকার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। সামনে নতুন ফরম্যাট, নতুন চ্যালেঞ্জ, আর দূরে অপেক্ষা করছে ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপ। সেই লক্ষ্যেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।
সোমবার (৬ জুলাই) শুরু হতে যাওয়া সিরিজের আগে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারের হতাশা পেছনে ফেলে দলের মনোযোগ এখন পুরোপুরি ওয়ানডের দিকে। তাঁর ভাষায়, টেস্টে ভালো খেলা না হলেও, ওয়ানডে সম্পূর্ণ ভিন্ন ফরম্যাট। তাই এখন নতুন লক্ষ্য পূরণে কাজ করবে দল।
মিরাজ মনে করিয়ে দেন, সাম্প্রতিক চারটি টেস্টে বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। তবে জিম্বাবুয়ের কন্ডিশন বরাবরই কঠিন, আর নিজেদের মাঠে স্বাগতিকরা সবসময়ই শক্ত প্রতিপক্ষ। তাই একটি ম্যাচের ফলকে সামনে টেনে না এনে নতুন করে শুরু করাই দলের পরিকল্পনা।

বিশ্লেষকদের মতে, এখানেই লুকিয়ে আছে বড় প্রেরণা। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক জিম্বাবুয়ে। তাই এই সফরকে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবেই দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাঁর বিশ্বাস, এই কন্ডিশনে ব্যাটার ও বোলার সবার জন্যই শেখার দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। কয়েক দিনের অনুশীলনে দল ইতিবাচক ছন্দও খুঁজে পেয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে বাস্তবতার কথাও ভুলছেন না মিরাজ। তাঁর মতে, হারারের উইকেটে নতুন বলের প্রথম ১০ থেকে ১৫ ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এই সময়টা দায়িত্ব নিয়ে সামলে দিতে পারলে বড় জুটি গড়া সহজ হবে, আর সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব।
জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রশংসাও করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। অনুশীলনের সময় দর্শকদের উপস্থিতি তাঁকে মুগ্ধ করেছে। সিরিজজুড়ে দুই দলই সমর্থকদের কাছ থেকে একই রকম উষ্ণ সমর্থন পাবে বলেই তাঁর প্রত্যাশা।











