শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বেলজিয়াম, আর সেই দাপটের ফলও পায় দ্রুত। ম্যাচের ৯ মিনিটে নিকোলাস রাসকিনের পাস থেকে চার্লস ডি কেটেলারে গোল করে এগিয়ে দেন দলকে।
৩১ মিনিটে মালিক টিলম্যানের ফ্রি-কিক হ্যান্স ভানাকেনের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ালে সমতায় ফেরে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেই আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র দুই মিনিট। ৩৩ মিনিটে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে আবারও বেলজিয়ামকে এগিয়ে দেন ডি কেটেলারে। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইউরোপের দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা চাপ সৃষ্টি করলেও ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৫৭ মিনিটে। গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ বক্সের বাইরে এসে বল নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে ভুল করেন। সেই সুযোগে বল পেয়ে মাঝমাঠের কাছাকাছি থেকে ফাঁকা জালে সহজেই বল পাঠিয়ে দেন হ্যান্স ভানাকেন। তাতেই ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-১।

এরপর কোচ রুডি গার্সিয়া মাঠে নামান জেরেমি ডোকু ও রোমেলু লুকাকুকে। বদলি হিসেবে নেমেই ম্যাচে প্রভাব রাখেন দুজন। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ভানাকেনের পাস থেকে দারুণ ফিনিশে বেলজিয়ামের চতুর্থ গোল করেন লুকাকু।
শেষদিকে ফোলারিন বালোগান কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও থিবো কোর্তোয়ার দৃঢ়তায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের দাপুটে জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বেলজিয়াম।












