টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই টানা দুই সিরিজ হেরে চাপে পড়েছে ভারত। প্রথমে আয়ারল্যান্ড, এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরাজয়ের পর দলের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখতে পর্যালোচনা বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।
আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাজ্য সফর শেষ হলেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া জানিয়েছেন, বৈঠকের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার কারণ খুঁজে বের করা এবং সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ নির্ধারণ করা।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলে শুরু হয় পরিবর্তনের প্রক্রিয়া। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ছিলেন না বিশ্বকাপ জেতানো সাবেক অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব। সুযোগ দেওয়া হয় তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সুরিয়াভানশি ও প্রিন্স যাদবকে। তবে এই পরীক্ষামূলক পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত ফল এনে দিতে পারেনি।

সাইকিয়া বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন খারাপ সময় আসতেই পারে। তবে ইংল্যান্ড সফর শেষে দলের মূল সদস্যদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বিশেষ করে কোথায় ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে তা কাটিয়ে ওঠা যায়, সেটিই হবে বৈঠকের মূল বিষয়। এর বাইরে অন্য কোনো ইস্যু আলোচনায় থাকবে না।
এই পর্যালোচনা বৈঠকে নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরও উপস্থিত থাকবেন। দল নির্বাচন, কৌশল নির্ধারণ এবং বিদেশের মাটিতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে আলোচনায়।
বিশেষ করে ব্যাটিং ব্যর্থতা ও বোলিংয়ের ধারাবাহিকতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিককে সামনে রেখে এখন থেকেই দলকে নতুনভাবে গুছিয়ে নিতে চায় বিসিসিআই।

পর্যালোচনা বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৩ জুলাই হারারেতে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগেই কার্যকর হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।










