হারিয়ে যাওয়া আকবর ফিরে আসার গল্প লিখতে পারবেন তো?

আকবর আলী নীরবে সরে দাঁড়ালেন মঞ্চ থেকে। আশেপাশে কোথাও তিনি নেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোনো দলেই নেই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া এই তারকা। কী হলো? কেন হলো? কেন আকবর আলী রাডারে থাকা ৭০-৮০ জনের মধ্যেও থাকেন না? সব কেন-এর উত্তর খোঁজা যাক।

সম্ভাবনা ছিল, তাঁকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখার সাহসটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তবে আকবর আলী নীরবে সরে দাঁড়ালেন মঞ্চ থেকে। আশেপাশে কোথাও তিনি নেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোনো দলেই নেই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া এই তারকা। কী হলো? কেন হলো? কেন আকবর আলী রাডারে থাকা ৭০-৮০ জনের মধ্যেও থাকেন না? সব কেন-এর উত্তর খোঁজা যাক।

তাঁর আগে আকবরের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে একটু আলোচনায় বসা যাক। পেছনে ফিরে তাকালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবরকে ভাবা হতো নেক্সট বিগ থিং। হ্যাঁ, ব্যাট হাতে খুব সলিড বা বিশেষ কেউ না হলেও সে সময়ের বিচারে মন্দ ছিলেন না। তবে ব্যাটার কিংবা উইকেটকিপার আকবরকে সরিয়ে আলোচনাটা হতো অধিনায়ক আকবরকে নিয়ে। তাঁর মানসিকতা যে কারো থেকে আলাদা, এক বাক্যে স্বীকার করতে অনেকে।

সময় গড়ালে সেটা আরও ভরাট হবে। ব্যাটিং টেকনিকে কিছুটা দুর্বলতা থাকলেও সেটা ঠিক করার সময় আছে। মোটকথা, যত্ন নিলে সব হবে। এই পর্যন্ত ঠিকঠাকই ছিল। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিনিয়ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছিলেন আকবর।

এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে দুইবার রংপুর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তাঁর অধীনে। সবশেষ এনসিএলে ২০০-এর বেশি রান এসেছে ব্যাট থেকে, স্ট্রাইক রেটও ১৫০। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্ট সেরার মুকুট উঠেছে মাথায়। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়েও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩ ম্যাচে ২১০ রান করেছিলেন। সবশেষ বিসিএলে সেঞ্চুরি করিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন নিজের সক্ষমতা।

এসবগুলো পারফরম্যান্সকে এক জায়গায় নিয়ে আসলে খুব মন্দ বলার উপায় আছে কি? হ্যাঁ, আহামরি কিছু নয়। গড়পড়তা পারফরম্যান্সই বলা চলে। তবুও কি বিসিবির রাডারে থাকা ৭০-৮০ জনের মধ্যেও একজন হওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই?

উত্তরটা একটু জটিল। অভ্যন্তরীণ অনেক কিছুই ঠাঁই পেতে পারে। ব্যক্তিগত রোষানলের শিকারও হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। এখানেই আকবরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ফিরবেন কীভাবে? ফেরার রাস্তা আছে কি?

২৪ বছর বয়স। তাঁর সতীর্থদের অনেকেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে পারফর্ম করছেন। তবে আকবরের সময় যে একেবারেই ফুরিয়ে গেছে, সেটাও না। এই যে কোথাও তিনি নেই, এটাও হতে পারে তাঁর জন্য আশীর্বাদ।

ব্যাটিংয়ে আকবরকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। খুঁটিনাটি যা কিছু সমস্যা আছে, সেগুলোকে শুধরে নিতে হবে। এমনভাবে তৈরি হতে হবে তাঁকে, যেন কোনোভাবে আর ফিরিয়ে না দেওয়া যায়। বয়স এমনিতেও বাড়ছে, ফিরে এসে বাদ পড়লে আর ফেরার সুযোগ থাকবে না, সমীকরণটা এমনই। তাই তো আকবরকে সেভাবেই তৈরি হওয়া লাগবে নীরবে। এই চ্যালেঞ্জটা জিততে পারলে ক্যারিয়ারটা উঠে দাঁড়ালেও দাঁড়াতে পারে আকবরের।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link