১৩তম ওভারটি যখন শুরু হয়, তখনো কেউ হয়তো ভাবেনি হংকংয়ের জন্য কী চরম বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। ওভারের দ্বিতীয় বলে শানজীন শাহজাদকে এক্সট্রা কভারে ক্যাচ উঠিয়ে সাজঘরে ফেরান পাকিস্তান স্পিনার নাশরা সান্ধু। ঠিক পরের বলে অ্যালিসন নাশরার ফ্লাইটে পরাস্ত হয়ে ক্লিন বোল্ড হলে সতীর্থদের নিয়ে উদযাপনে মাতেন তিনি।
সেই সাথে পূরণ হয় তাঁর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়ে দিলেও শেষ বলে ছাড় দেননি নাশরা। ইকরা সাহারের স্টাম্প উপড়ে ফেলে পূর্ণ করেন ম্যাচে নিজের ষষ্ঠ উইকেট।

অবিশ্বাস্য এই ওভারটি দিয়ে চার ওভারের স্পেল শেষ করে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় পাকিস্তান। ম্যাচের পুরো সময়জুড়েই নাশরার বাঁহাতি ঘূর্ণির সামনে হংকংয়ের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ে।
ইনিংসের শুরু থেকেই নিখুঁত লাইন ও লেংথে বল করে ব্যাটারদের বেঁধে রেখেছিলেন এই পাকিস্তানি স্পিনার। হংকংয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙার পর দাসওয়ানিকে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ বানিয়ে শিকারের খাতা খোলেন তিনি। এরপর সুইপ খেলতে যাওয়া ল্যাম্পলাফকে বোল্ড করে এবং মারিয়াম বিবিকে মিডউইকেটে ক্যাচ দিতে বাধ্য করে হংকংয়ের মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন।

ম্যাচে চার ওভার বল করে মাত্র সাত রান খরচায় ছয়টি উইকেট শিকার করেন নাশরা সান্ধু। ১.৭৫ ইকোনমি রেটের এই বিধ্বংসী বোলিংটি কেবল তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারই নয়, এটিই এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।











