ডেভিড মিলার আজও ঝড় তুলতে জানেন

তরুণদের দিয়ে যখন দিন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা, তখনই একজন ডেভিড মিলারের আবির্ভাব ঘটল দক্ষিণ শিবিরে। যিনি চোখ রাঙিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বলে দিলেন, ট্রেনিং তিনি কখনওই জমা দেননি। আর ব্যাট নামের অস্ত্রটা তাঁর হাতেই আছে।

তরুণদের দিয়ে যখন দিন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা, তখনই একজন ডেভিড মিলারের আবির্ভাব ঘটল দক্ষিণ শিবিরে। যিনি চোখ রাঙিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বলে দিলেন, ট্রেনিং তিনি কখনওই জমা দেননি। আর ব্যাট নামের অস্ত্রটা তাঁর হাতেই আছে। খেলতে নেমেছেন সেই জোহানেসবার্গে যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩৪ রান তাড়া করেও জিতেছিল।

ব্যাস, এরপর যা হল সেটা স্রেফ ইতিহাস। আগ্রাসন, আগ্রাসন আর আগ্রাসন। ক্রিকেট মাঠে এই আগ্রাসনের ভাষাটাই পাল্টে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে, নিজেদের পরিচিত সেই শব্দের প্রয়োগটা এবার ঘটল খোদ অজি সাম্রাজ্যের বিপক্ষেই।

অস্ট্রেলিয়াকে দু:সহ সেই অভিজ্ঞতায় ডোবানো এই ব্যাটারের বয়স ৩৭। জাতীয় দলের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে তিনি নেই। গেল ২০২৫ সালের মার্চে সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন।

বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সিরিজ দিয়েই। আর ফিরে আসার মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচেই তিনি দেখালেন আগ্রাসনের চূড়ান্ত দৃশ্য। চোখের নিমিষে পেয়ে গেলেন ক্যারিয়ারের অষ্টম ওয়ানডে সেঞ্চুরি।

ক্রিজে যতক্ষণ থাকলেন শাসন করলেন। ৯৩ বল খেলে ১৪২ রান করেন। নয়টি ছক্কা আর ১২ টি চারে সাজানো অতিমানবীয় এক ইনিংস। যেটা দিব্যদৃষ্টিতে যারা দেখেছেন, তাঁরা চাইলে আবারও ডেভিড মিলারের নামের পাশে ‘কিলার’ শব্দটা জুড়ে দিতেই পারেন। আর মিলারের ঠিক মিলারসুলভ ইনিংসের সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা উঠে গেল রানের পাহাড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বরাবরই এমন দাপুটে মিলার। ২৮ ইনিংসে দলটির বিপক্ষে রান তাঁর ১১৮৪, স্ট্রাইক রেট ১০৯.৬৫। গড় প্রায় ৬০। এদিন পেসার কিংবা স্পিনার – কাউকেই বিশেষ ছাড় দেননি। পেসারদের ৬০ বল থেকে আসে ৮৪ রান। স্ট্রাইক রেট ১৪০, স্পিনারদের বিপক্ষে স্ট্রাইক রেট ১৭৫.৭৫, ৩৩ বলে রান ৫৮। বিশ্বকাপ যখন দুয়ারে তখন ডেভিড মিলারের এই প্রত্যাবর্তন প্রোটিয়া শিবিরে স্বস্তি এনে দিতে যথেষ্ট।

Share via
Copy link