নিজের পুরনো আলোকেই ছুলেন স্টার্ক

সময়টা যেন থমকে গিয়েছিল ম্যাকায়ের সকালে, আর সেই থমকানো সময়ের মধ্যেই আবার একবার ইতিহাস লিখলেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে যে ঝড়ের সূচনা করলেন, তার তীব্রতা এতটাই ছিল যে মাত্র বাইশ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন বাঁহাতি এই তারকা।

সময়টা যেন থমকে গিয়েছিল ম্যাকায়ের সকালে, আর সেই থমকানো সময়ের মধ্যেই আবার একবার ইতিহাস লিখলেন মিশেল স্টার্ক। প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে যে ঝড়ের সূচনা করলেন, তার তীব্রতা এতটাই ছিল যে মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন বাঁহাতি এই তারকা।

টেস্ট ইতিহাসে যা ষষ্ঠ দ্রুততম ফাইফার। অথচ এই তালিকার শীর্ষেও যে নামটা বসে আছে, সেটাও তাঁরই। গত বছর জ্যামাইকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে ফাইফার তুলে নিজেই গড়েছিলেন টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত পাঁচ উইকেটের রেকর্ড। আজ যেন নিজের সেই কীর্তিরই প্রতিধ্বনি শোনালেন আবার, নিজেকেই ছুঁয়ে গেলেন দ্বিতীয়বার।

শুধু গতি নয়, ধারাবাহিকতাতেও অবিশ্বাস্য এক নাম হয়ে উঠেছেন স্টার্ক। গতি কমলেও তিনি এখন যেন আগের চেয়েও কার্যকর। ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মতো টেস্টের একদম প্রথম বলেই উইকেট তুলে নিলেন তিনি, আর এতে করে ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন — পেছনে ফেললেন তিনবার একই কাজ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেড্রো কলিন্সকেও।

শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, ভারতের পর এবার বাংলাদেশ — চার দেশের বিপক্ষে চার প্রথম বলে চারটি উইকেট, যেন নিয়তিই তাঁর হাত ধরে হাঁটে। সব মিলিয়ে টেস্ট ইনিংসের প্রথম ওভারেই এটি তাঁর ২৮তম উইকেট, যা বলে দেয় কেন প্রতিপক্ষের ওপেনাররা তাঁর প্রথম স্পেলেই বুক কাঁপিয়ে নামেন।

মুমিনুল হককে ফিরিয়ে এদিন নিজের ৪৪০তম টেস্ট উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক, ছাড়িয়ে যান দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ডেল স্টেইনকে, উঠে আসেন সর্বকালের সেরা উইকেটশিকারিদের তালিকায় দশ নম্বরে।

ইনিংস শেষে ৬৪ রানে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেওয়ার পথে ১০ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে থামেন তিনি, যা তাঁর মোট শিকার সংখ্যা নিয়ে যায় ৪৪২-এ — বাঁহাতি পেসার হিসেবে টেস্ট ইতিহাসে যা এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ। গত বছর জ্যামাইকায় শততম টেস্টে চারশ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন, এই বছরের অ্যাশেজে পার্থে এক ইনিংস ৭ উইকেটে ৫৮ আর ম্যাচে ১০ উইকেটে ১১৩ নিয়ে গড়েছিলেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং, সিরিজজুড়ে একে একে ৩১ উইকেট তুলে হয়েছিলেন সিরিজ সেরা।

ছত্রিশ বছর বয়সে গতির তীব্রতায় হয়তো আগের সেই তরুণ স্টার্ককে আর পাওয়া যায় না, কিন্তু বলের ধার এতটুকু কমেনি — বরং সময় যেন তাঁকে আরও ধূর্ত, আরও নিখুঁত করে তুলছে। ডারউইনের লজ্জা মুছে দেওয়ার যে দায়িত্ব একা কাঁধে নিয়েছিলেন, তাতে কি আজ সফল হলেন মিশেল স্টার্ক, নাকি এই তো সবে শুরু?

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link