যতক্ষণ লিওনেল মেসি থাকেন ভরসা থাকে। ফুটবলের বরপুত্র যখন ওই সবুজ ঘাসে দাঁপিয়ে বেড়ান, শিকারী বাঘের মত নীরবে সুযোগ খুঁজে বেড়ান, ততক্ষণ স্বপ্ন দেখে আর্জেন্টিনা।
আর বরাবরই সেই স্বপ্ন পূরণ হয়। এবার যেমন হয়ে গেল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ফকল্যান্ড যুদ্ধের গন্ধমাখা সেই প্রতিপক্ষ। হ্যান্ড অব গডের প্রতাপ যাদের বুকে আঁকা গিয়েছিল, সেই ইংল্যান্ড।
মেসিকে আটকে রাখতে চেষ্টার কমতি রাখেনি ব্রিটিশরা। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। মেসি আক্রমণ ছিন্ন করে বের হয়েছেন বারবার। একদম স্পষ্ট সুযোগ সৃষ্টি করেছেন একাধিক, প্রথমার্ধে ঝিমিয়ে থাকা আর্জেন্টিনাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন।

দ্বিতীয়ার্ধের একদম অন্তিম লগ্নে আসে ম্যাচের সিদ্ধান্ত লিখে দেওয়া দু’টি মুহূর্ত। লিওনেল আন্দ্রেস মেসির জোড়া অ্যাসিস্ট। তাতে লক্ষ্যভেদ করেন দুই তরুণ তুর্কি – প্রথমে এনজো ফার্নান্দেজ, এরপর লাউতারো মার্তিনেজ।
লিওনেল মেসির আর এক বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া হবে না। হয়তো তিনি গোল্ডেন বুটও নাও পেতে পারেন। তবে, ইতিহাস জানে, লিওনেল মেসি ম্যাজিক জানেন। ইতিহাস জানে, লিওনেল মেসি মাঠে থাকলেই আর্জেন্টিনা দল মিরাকল গড়ে।
আরও একটি বিশ্বকাপ ফাইনাল সামনে। আবারও মেসির সামনে সুযোগ। আরও একবার ইতিহাস তাঁর ফুটবল সাম্রাজ্যের অতিপতির মুখে কি হাসে ফোঁটাতে পারবে? আরেকটি বার কি ওই সোনালি ট্রফিটা ছুঁতে পারবেন লিওনেল মেসি? আবারও কি দূর আকাশের ওই তারা আরও একটু জ্বলজ্বল করে উঠবে?











