নেতিবাচক ব্যাটিংয়ের নির্মম খেসারত

হারের ব্যবধান মাত্র সাত রানের। অল্প একটু সাহস করলেই কয়েকটা বল হাতে রেখেই মাঠ ছাড়তে পারত তাওহীদ হৃদয়ের দল।

১৬ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত একজন। আরেক ব্যাটার ১০ বল খেলে করেছেন ১২ রান। শেষ ওভারে তখন ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের দরকার ২৩ রান। কার্যত, শেষ ওভার মাঠে গড়ানোর আগেই বলে দেওয়া যায় ম্যাচটা বাংলাদেশের পক্ষে বের করা সম্ভব নয়।

তাওহীদ হৃদয় দায়িত্ব নিতে পারতেন আরও আগেই। কিন্তু, তিনি ক্রিজে এসে বেশ খানিকটা স্বার্থপর ক্রিকেট খেলেছেন। যার খেসারত দিতে হয়েছে বাংলাদেশে। তাই, শেষ ওভারের অসম্ভব লক্ষ্যে তিনি যতই চার-ছক্কা হাকান না কেন, তাতে বাংলাদেশের কোনো লাভ হয়নি। বরং আক্ষেপ বেড়েছে।

১৮ তম ওভার শেষেই হৃদয়ের স্ট্রাইক রেট ছিল ১০০-এর আশেপাশে। আস্কিং রান রেট ১৭। মানে ১২ বলে করতে হবে ৩৪ রান। বাংলাদেশ কার ওপর ভরসা করবে? সাথে ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই বয়স দু’দিনের। টি-টোয়েন্টির ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিনি যে বিরাট রান করেছেন – এমন কিছু না। সাত নম্বরে তাঁকে খেলানোর বিষয়টা প্রশ্নবিদ্ধ। অন্তত ডাগ আউটে রিশাদ হোসেন ছিলেন, নাসুম আহমেদ ছিলেন – যারা অভিজ্ঞ। ফলে এই জায়গাটায় সাকলাইনকে পাঠানো ছিল বিরাট ভুল।

দারুণ এক শুরুর পর বাংলাদেশকে সাত ওভারে করতে হত ৬৫ রান, মানে ৪২ বলে ৬৫। হাতে আছে সাতটি উইকেট। সেখান থেকে নেতিবাচক ক্রিকেট খেলাটাই ছিল বাংলাদেশের পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় ঘাটতি। আর সেজন্যই এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ খোয়াতে হল স্বাগতিকদের।

হারের ব্যবধান মাত্র সাত রানের। অল্প একটু সাহস করলেই কয়েকটা বল হাতে রেখেই মাঠ ছাড়তে পারত তাওহীদ হৃদয়ের দল।

Share via
Copy link