ভয়াবহ পতনের শিকার বাংলাদেশ!

পরীক্ষিত ব্যাটার দলে অনেক থাকলেও বাংলাদেশের পতন দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারেননি তাঁরা। ৪৭.২ ওভারে মাত্র ১৪০ রানে থেমে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। 

শুরুটা অবশ্য বেশ ভালো হয়েছিল, কিন্তু, বাংলাদেশের হাল যে এমন হবে তা কেই বা জানতো। জিম্বাবুয়ের মাটিতে একমাত্র টেস্টে দুই সেশনও টিকতে পারলো না সফরকারীরা। এক ভয়ানক পতনের মোকাবিলা করে থমকে যেতে হলো মাত্র ১৪০ রানে। 

মুমিনুল হক যখন ৬০ রান করে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে আউট হলেন, বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান তখন ১১৩। ভালো অবস্থা বলা না গেলেও, শোচনীয় দাবি করার মতো না। কিন্তু, এরপর যে ব্যাটিং দেখা গেল তা কোনোভাবেই এই দলের সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সের সাথে মেলানো যায় না।  

মুমিনুলের আউট হওয়ার সাথে সাথেই যেন টাইগারদের ব্যাটিংয়ের মরণের ডঙ্কা বেজে ওঠে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭৩ বলে ১৯ রানের এক ধৈর্য দেখানো ইনিংস খেলে আউট হন কিছুক্ষণ পরে। এরপরের বাকি সময়টা কেবল ছিল জিম্বাবুয়ের বোলারদের উদযাপনের জন্যে বরাদ্দ।

মুমিনুল-শান্ত এর পরে আরও তিনজন স্বীকৃত ব্যাটার ছিলেন, কিন্তু, হাল ধরতে পারেননি কেউই। এমনকি অতীতে টেলএন্ডারদের কাছ থেকে যা সাহায্য আসতো, এই ইনিংসে সেসবের কিছুই দেখা যায়নি। 

নতুন কোনো ব্যাটার ক্রিজে এসে স্থির হতে না হতেই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে ফিরে গেছেন ডাগআউটে। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম হন কিংবা অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয়, পতনের মুখ থেকে দলকে ফিরিয়ে আনতে পারেননি কেউই। এমনকি শেষ সাত ব্যাটারের কারো কাছ থেকেই দুই অঙ্কের ইনিংসের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। 

যে বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ের চেয়ে টেস্টে কয়েকগুণ শক্তিশালী ধরে নিতে হয়, সেই টাইগার ব্যাটাররাই স্বাগতিকদের মাত্র চারজন বোলারের সামনে আত্মসমপর্ণ করে গেছেন। শেষ আট উইকেট তুলে নিতে ব্লেসিং মুজারাবানিরা খরচ করেন মাত্র ২৭ রান। 

পরীক্ষিত ব্যাটার দলে অনেক থাকলেও বাংলাদেশের পতন দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারেননি তাঁরা। ৪৭.২ ওভারে মাত্র ১৪০ রানে থেমে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link