স্বস্তির জয় পেল বাংলাদেশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই আরও এক সিরিজ খোয়ানোর লজ্জা থেকে বাঁচল তাওহীদ হৃদয়ের দল। রিশাদ হোসেন আর শেখ মেহেদীর ঘূর্ণিজাদুতে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জেতার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ।
সিরিজ বাঁচানোর লড়াই, কোনঠাসা বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়াতেই হতো। আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। আর সূচনাটাও আসে উড়ন্ত। তানজিদ তামিম আর সাইফ হাসানের জুটি থেকেই বাংলাদেশ তোলে ১২০ রান। দুজনের ব্যাটই পায় ফিফটির দেখা।
তবে এমন শুরুর পরও হোঁচট খাওয়া এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। ১২০ রান পর্যন্ত উইকেট না হারানো দলটা ১৪১ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে পাঁচ ব্যাটারকে। অবশ্য গল্পের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু সেখান থেকেই। যার নায়ক মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

শেষ ওভারে টানা চার বলে চার ছক্কাসহ আদায় করেন ২৮ রান। ব্যক্তিগত খাতায় যোগ হয় ১০ বলে ৩১। এমন তাণ্ডবের সুবাদে স্কোরবোর্ডে আসে ১৮৬ রানের বড় সংগ্রহ।
জবাবে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ের টুঁটি শুরুতেই চেপে ধরে বাংলাদেশ। শেখ মেহেদী, নাহিদ রানাদের বোলিং তোপে ২১ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় ছিল না। শেষমেষ একটু ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালালেও জিম্বাবুয়েকে থামতে হয় ১৫২ রানেই। রিশাদ হোসেন এবং মেহেদীর ঝুলিতেই যায় চার এবং তিন, অর্থাৎ সবমিলিয়ে সাত উইকেট।
দিনশেষে এই জয় স্বস্তি ফেরাল বাংলাদেশ শিবিরে। টেস্ট, ওয়ানডেতে তো সিরিজ হারতেই হয়েছে, উঁকি দিচ্ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজ খোয়ানোর সম্ভাবনাও। তবে এ যাত্রায় রেহাই পেল। হাতে থাকা শেষ ম্যাচ জিততে পারলে কাটা ঘায়ে অন্তত মলম জুটবে বাংলাদেশের।











