দুই দলের জন্য প্রতিটি ম্যাচই এখন পরিণত হয়েছে বাঁচা মরার লড়াইয়ে। জিতলে প্লে-অফে যাওয়ার আশা থাকবে। হারলেই কার্যত বাদ পড়ে যেতে হবে হিসাব-নিকাশের সব পাতা থেকে। এমনই ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের মাঠে পরাস্ত হলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তটা খুব কার্যকরী হয়নি তা বোঝা যায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই। মাত্র এক রান করে ওপেনার উইল জ্যাকস সাজঘরের পথ ধরেন। অন্য ওপেনার রায়ান রিকেলটনের সাথে মিলে বড় সংগ্রহের কিছুটা আভাস দেন নামান ধীর।
রিকেলটন ফিরে গেলে আর কেউ নামানকে বড় ইনিংস গড়ার পথটা প্রশস্ত করে দিতে পারেননি। অনসুল কাম্বোজ, নুর আহমেদদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ব্যাটাররা অসহায় প্রমাণিত হয়েছেন। হার্দিক পান্ডিয়ার দলের সংগ্রহ শেষ পর্যন্ত পৌঁছায় ১৫৯ রানে।

তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার হয়ে ফেরেন সাঞ্জু স্যামসন। তবে, চেন্নাইয়ের ব্যাটিংয়ে আর ভয় ধরাতে পারেনি মুম্বাইয়ের কোন বোলার। ক্রিজের একপ্রান্ত জুড়ে টিকে থেকে ক্রমশ লক্ষ্য ছোট করেছেন অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়।
আগের ম্যাচে ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে, মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে আর সেদিকে গেলেন না রুতুরাজ। দলের জন্য মানানসই ইনিংস খেলে একেবারে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। কার্তিক শর্মাও দেখা পেয়েছেন অর্ধশতকের।
যত ম্যাচ যাচ্ছে মুম্বাইয়ের কোয়ালিফাই করার সম্ভাবনা যেন তলিয়ে যাচ্ছে শূন্যের দিকে। এখন এমন অবস্থায় আছে যে বাকি থাকা পাঁচ ম্যাচ জিতলেও হয়তো প্লে-অফে ঠাঁই করে নেওয়া সম্ভব হবে না। আর, আট উইকেটের এই জয়ে চেন্নাই নিজেদের শেষ চারে নেওয়ার আশা যেন কিছুটা হলেও বাঁচিয়ে রাখলো।











