বৈভব ও মায়াঙ্কের দাপটে জয়ের পথে ফিরলো ভারত!

ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের কাছে টানা সিরিজ হারের পর অবশেষে জয়ের পথে ফিরল ভারত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে মায়াঙ্ক যাদবের আগুনঝরা স্পেল আর ব্যাট হাতে ১৫ বছর বয়সী বৈভব সুরিয়াভানশির রেকর্ডগড়া ইনিংসে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা।

ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের কাছে টানা সিরিজ হারের পর অবশেষে জয়ের পথে ফিরল ভারত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে মায়াঙ্ক যাদবের আগুনঝরা স্পেল আর ব্যাট হাতে ১৫ বছর বয়সী বৈভব সুরিয়াভানশির রেকর্ডগড়া ইনিংসে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতের পেস আক্রমণের সামনে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের প্রথম বলেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন মায়াঙ্ক যাদব। এরপর প্রিন্স যাদবকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন ভারতীয় বোলাররা। ফলে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা।

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথমেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ভারত। মাত্র ১৫ বছর ১১৮ দিন বয়সী বৈভব সুরিয়াভানশি মাত্র ১৯ বলে ৫০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ফিফটির রেকর্ড গড়েন। আগের রেকর্ডটি ছিল নেপালের কুশল মাল্লার, যিনি ১৫ বছর ৩৪০ দিন বয়সে অর্ধশতক করেছিলেন।

৬৮ রানে বৈভব ফিরলেও জয়ের পথ থেকে সরে যায়নি ভারত। ইশান কিশান ২৪ বলে ৩৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৮ রানে অপরাজিত থেকে তিলক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে ১৩.২ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলে ভারতের ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন।

ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা সিরিজ হারের হতাশার পর এই জয় ভারতের জন্য স্বস্তির বার্তা। মায়াঙ্ক যাদবের দুর্দান্ত বোলিং, বৈভব সুরিয়াভানশির ঐতিহাসিক ফিফটি এবং ইশান কিশানের পরিণত ব্যাটিংয়ে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিল ভারত।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link