১৮ বলে বোলারদের চূর্ণ করে প্রথম আন্তর্জাতিক ফিফটি বৈভবের!

যে ছেলেটাকে নিয়ে ভারত ইতোমধ্যেই ভবিষ্যতের মহাতারকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, সেই বৈভব সুরিয়াভানশি আবারও বুঝিয়ে দিলেন—সব আলোচনার পেছনে কারণ আছে।

যে ছেলেটাকে নিয়ে ভারত ইতোমধ্যেই ভবিষ্যতের মহাতারকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, সেই বৈভব সুরিয়াভানশি আবারও বুঝিয়ে দিলেন—সব আলোচনার পেছনে কারণ আছে।

আইপিএলে ঝড় তুলে কোটি ভক্তের নজর কেড়েছিলেন তিনি। এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক আর নিজের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সিরিজেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তুলে নিলেন প্রথম আন্তর্জাতিক অর্ধশতক।

শুরু থেকেই ছিলেন নির্ভীক। প্রতিটি বোলারের ওপর আধিপত্য দেখিয়েছেন, খেলেছেন চোখজুড়ানো সব শট। তার ব্যাটিং দেখে একবারও মনে হয়নি, তিনি মাত্র ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলছেন। বরং মনে হয়েছে, বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যাটার।

বৈভব সুরিয়াভানশির সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু রান করা নয়, ম্যাচের গতি বদলে দেওয়া। তিনি প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা ভেঙে দেন, বোলারদের আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেন, আর নিজের আক্রমণাত্মক মানসিকতা দিয়ে পুরো ম্যাচের চিত্রই পাল্টে দেন।

এই কারণেই তাকে ঘিরে প্রত্যাশা এত বেশি। প্রতিভাবান ক্রিকেটার অনেকেই আসে, কিন্তু খুব কম খেলোয়াড়ই এত অল্প বয়সে এমন আত্মবিশ্বাস, পরিণত মানসিকতা আর ম্যাচে প্রভাব রাখার ক্ষমতা দেখাতে পারে।

এটি হয়তো পরিসংখ্যানের খাতায় আরেকটি অর্ধশতক। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এটি হতে পারে আরও বড় কিছুর ইঙ্গিত। বৈভব সুরিয়াভানশি যেন ধীরে ধীরে নয়, দৌড়েই এগিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটের পরবর্তী বড় তারকা হওয়ার পথে।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link