আইপিএল কন্ডিশনই কি ভোগাচ্ছে ভারতকে?

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। হারিয়েছে বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি দলের স্থানও।  তাই তো প্রশ্ন উঠছে, আইপিএল কন্ডিশনে অতিরিক্ত অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াই কি কাল হয়েছে ভারতের জন্য?

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগই (আইপিএল) কি ডোবাচ্ছে ভারতকে? এটা এখন আর অবাস্তব কোন কথা নয়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। হারিয়েছে বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি দলের স্থানও।  তাই তো প্রশ্ন উঠছে, আইপিএল কন্ডিশনে অতিরিক্ত অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াই কি কাল হয়েছে ভারতের জন্য?

ইংল্যান্ডের কন্ডিশনের তফাৎ ছিল স্পষ্ট। বাড়তি বাউন্স, শর্ট বল, স্লোয়ার, স্লোয়ার বাউন্সার, কিংবা স্পিনে বারবার পস্তাতে হয়েছে ভারতকে। এরপরও প্রায় প্রতিবারই আইপিএলের কন্ডিশনের মতো ইংলিশ বোলিং লাইনআপকে মোকাবেলার চেষ্টা করেছেন ভারতীয় ব্যাটাররা। ইংল্যান্ডের এই ভিন্ন কন্ডিশনে সেটিই হয়ে উঠেছে ফাঁদ।

পাওয়ার-হিটিং কোচ জুলিয়ান উডসের ভাষায়, ‘ভারতীয় ব্যাটাররা বোলারদের গতির বিপরীতে লড়াই করতে গেছেন না বুঝে। আর এতেই জোফ্রা আর্চার, জশ টাং কিংবা স্যাম ক্যারানদের তোপে দিশেহারা হতে হয়েছে তাদেরকে।’

সিরিজজুড়েই এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে। শর্ট বল, স্লোয়ার বল আর স্পিনের ঘূর্ণিতে বারবার উইকেট খুইয়েছে ভারত। ব্রিস্টলে শ্রেয়াস আইয়ার একটু ব্যতিক্রম হওয়ার চেষ্টা করলেও পুরো ব্যাটিং ইউনিট তা নিয়ে মাথা ঘামায়নি।

জুলিয়ান উডস বলেন, ‘প্রতিটি কন্ডিশনের জন্য আলাদা পরিকল্পনা জরুরি। শক্তির সঙ্গে লাগে নিয়ন্ত্রণও। সেই দ্বিতীয় গিয়ারটাই এখনো গড়ে ওঠেনি ভারতের নতুন ব্যাটিং প্রজন্মের।’

২০২৩ সালের পর টি-টোয়েন্টিতে ভয়ডরহীনভাবে ব্যাটিং করতে শিখেছে ভারত। কিন্তু ভারতের আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের ব্যর্থতা স্পষ্ট করে, বিশ্ব ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে নিজেদের পরিচিত কন্ডিশনের বাইরের কন্ডিশনগুলোতেও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

Share via
Copy link