কাউন্টিতে আগুন ঝরালেন খালেদ!

হাসান মাহমুদ ফিরলেও খুব বড় ক্ষতি হয়নি কেন্টের। খালেদ আহমেদ আছেন তো! বোলিং আক্রমণে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, সেটাই পূরণ করলেন ডান হাতি এই বাংলাদেশি পেসার। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই আগুন ঝরানো বোলিংয়ে তুলে নিলেন ৫ উইকেট।

হাসান মাহমুদ ফিরলেও খুব বড় ক্ষতি হয়নি কেন্টের। খালেদ আহমেদ আছেন তো! বোলিং আক্রমণে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, সেটাই পূরণ করলেন ডান হাতি এই বাংলাদেশি পেসার। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই আগুন ঝরানো বোলিংয়ে তুলে নিলেন ৫ উইকেট।

কেন্টাবুরিতে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম দিনেই দাপট দেখান খালেদ। তার বোলিং তোপে মাত্র ১৬১ রানে গুটিয়ে যায় ল্যাঙ্কাশায়ার। ১৫.৫ ওভার বল করে ৪২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন বাংলাদেশের এই পেসার। তার সঙ্গে যোগ দেন ম্যাট মিলনেস। তিনি ২৮ রান খরচ করে নেন ৪ উইকেট।

শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করছিলেন খালেদ। প্রথম সাফল্য আসে ওপেনার জেনিংসকে ফিরিয়ে। ৩০ রান করা এই ব্যাটার খালেদের শর্ট বলে পয়েন্টে ক্যাচ দেন। পরের ওভারেই রকি ফ্লিনটফকে এলবিডব্লিউ করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন তিনি।

চা-বিরতির পর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন খালেদ। ৩৭ রান করা উইকেটকিপার-ব্যাটার হ্রাস্টকে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরানোর পর একে একে স্ট্যানলি ও স্যার জেমস অ্যান্ডারসনকে সাজঘরে পাঠান তিনি। অ্যান্ডারসনের উইকেট দিয়েই পূর্ণ হয় খালেদের ফাইফার।

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এটি খালেদের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি। দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন পারফরম্যান্সে হাসান মাহমুদের অনুপস্থিতি কেন্টকে বুঝতেই দেননি তিনি। এর আগে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে হাসানকে কাউন্টি থেকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিসিবি। তবে তার জায়গায় কেন্টের জার্সিতে খালেদ যেন নতুন করে নিজের সক্ষমতার জানান দিলেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link