অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারারেতে প্রথম ওয়ানডেতে ইতিহাস গড়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেলর। ছাড়িয়ে গেছেন খোদ শচীন টেন্ডুলকারকে। যদিও, ৪০ বছর বয়সী টেলরের মুখের হাসি কেড়ে নিয়ে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলেছেন অজি ব্যাটার ম্যাট র্যানশো।
বল হাতে ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট নিলেও দিন শেষে পরাজিত দলেই নাম লিখিয়েছে ২০ বছর বয়সী পেসার নিউম্যান ন্যামহুরি। অবশ্য নিউম্যানের চেয়েও বেশি জিম্বাবুয়ে দলে নজরে ছিলেন টেলর। মাত্র চারটি রান করলেও, এই ম্যাচ দিয়েই তিনি ছাড়িয়ে গেছেন শচীন টেন্ডুলকারকে।
শচীন টেন্ডুলকারের ওয়ানডে ক্যারিয়ার ২২ বছর ৯১ দিনের। অন্যদিকে টেলরের আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্যারিয়ার এখন ২২ বছর চার মাসেরও বেশি।

শচীন ১৯৮৯ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর ২০১২ সালে শেষ ম্যাচ খেলেন। অন্যদিকে টেলর ২০২১ সালে অবসর ঘোষণা করেছিলেন। পরে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ও ডোপিংবিরোধী বিধি ভঙ্গের কারণে সাড়ে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞাও পেয়েছিলেন। তবু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসে মঙ্গলবার শচীনের দুই দশকের বেশি পুরোনো রেকর্ড নিজের করে নিলেন টেলর।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েই শুরু করে। ১০৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। সেখান থেকেই দলকে টেনে তোলেন র্যানশো। ২০ বছর বয়সী নিউম্যান ন্যামহুরির রক্তচক্ষু এড়িয়ে র্যানশো অভিনব ইনিংস খেলেন। ইনিংসে সিঙ্গেল ছিল ৪৯ টি আর ডাবল ছিল সাতটি। বাউন্ডারি থেকে আসে ৪৬ রান।
হাফ সেঞ্চুরি করেন কুপার কনোলি। ৫১ রানেই তার ইনিংস থামিয়ে দেন সিকান্দার রাজা। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৯৫ রান সংগ্রহ করে। ৯৪ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকেন র্যানশো।

জবাব দিতে নেমে চেষ্টার কোনো কমতি রাখেননি জিম্বাবুয়ের দুই ব্যাটার সিকান্দার রাজা ও ক্রেইগ আরভিন। দু’জন হাফ সেঞ্চুরি করলেও জয়ের বন্দরে যেতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নিউম্যান ম্যারহুরিকে মোক্ষম জবাব দেন নাথান এলিস। তিনি ৩১ রান দিয়ে নেন পাঁচ উইকেট। ৪.৫ ওভার বাকি থাকতে ২৩৫ রানে থামে জিম্বাবুয়ে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে।










