বেলজিয়াম পিছিয়ে ০-১, ঘড়ির কাঁটা ৬৫ মিনিট পার। মিশরের জমাট রক্ষণে আটকে যাচ্ছে একের পর এক আক্রমণ। ঠিক তখনই বদলি বেঞ্চ থেকে মাঠে নামলেন রোমেলু লুকাকু, বদলী হিসেবে এলেন চার্লস এর জায়গায়।
আর নামার পরের মুহূর্তেই বদলে গেল ম্যাচের রং। থমাস মুনিয়েরের ক্রসে দুই ডিফেন্ডারের মাঝে গিয়ে দাঁড়ান লুকাকু – তার শারীরিক উপস্থিতিতেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মিশরের রক্ষণে। বল গিয়ে লাগে মোহাম্মদ হানির গায়ে, জড়িয়ে যায় নিজেদের জালে। সময়টা মাত্র ২২-২৩ সেকেন্ড – মাঠে নামার পর এত কম সময়ে এমন প্রভাব রাখা চাট্টিখানি কথা নয়।
আনুষ্ঠানিকভাবে গোলটি লেখা হবে আত্মঘাতী হিসেবে, লুকাকুর নামের পাশে যুক্ত হবে না কোনো গোল। কিন্তু মাঠের সবাই জানে, এই গোলের আসল কারিগর কে। ১-১ সমতায় ফিরে আসে বেলজিয়াম।

বয়স ৩২ পার করেছেন, এবার শুরুর একাদশেও জায়গা পাননি নিয়মিত। কিন্তু বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার পুরনো অভ্যাসটা যেন এখনও অমলিন। বেলজিয়ামের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা, যিনি বছরের পর বছর দলের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম – আজও প্রমাণ করলেন, তিনি মাঠে নামলে কিছু একটা হয়।












