বল হাতে তিনি রহস্যময় নন, ব্যাট হাতে নন অমিত প্রতিভার অধিকারী। কিন্তু, দল যখন বিপদের সম্মুখীন হয় তখনই ত্রাতার রূপে আবির্ভূত হন ক্রুণাল পান্ডিয়া। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সসের বিপক্ষে একা হাতে জিতিয়েছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে।
ব্যাঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইনআপ শক্তিশালী। তাই তো, মিডল অর্ডার ব্যাটার হয়েও ক্রুণালকে খুব বেশি ২২ গজে নামতে হয় না। কারণ, আগের ব্যাটাররাই নিজেদের কাজটা ভালো মতো করে দিতে পারেন। তবে, অন্য এক দৃশ্য দেখা গেল মুম্বাইয়ের বিপক্ষে।
১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একের পর উইকেট হারাতে থাকে আরসিবি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে বিরাট কোহলি শূন্য রানে ফিরলে ক্রুণালকে ক্রিজে আসতে হয়েছে পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই।

ব্যাট হাতে নেমে কোনো তাড়াহুড়ো করেননি এই বাঁহাতি। বরং, দেখে-শুনে ইনিংস গড়ার কাজ করেছেন। লক্ষ্যটা যে ধরাছোঁয়ার মধ্যেই আছে সেটা তিনি জানতেন। তাই সুযোগ বুঝে বোলারের উপর চড়াও হয়েছেন, কোন ঝুঁকি নেননি। সেই সাথে তুলে নিয়েছেন এবারের আসরে তাঁর প্রথম অর্ধশতক।
১৮তম ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থেকে খেলেছেন ৪৬ বল। চারটি চারের সাথে বল বাউন্ডারির বাইরে উড়িয়ে মেরেছেন পাঁচ বার। সাজঘরে ফেরার আগে ক্রুণালের নামের পাশে থাকা ৭৩ রানই মূলত আরসিবিকে নিয়ে গেছে জয়ের দুয়ারে।
তবে, ক্রুনাল ফিরে গেলে বিপদে পরে ব্যাঙ্গালুরু। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৫ রান। এরপরই নাটকের শুরু। প্রথম তিন বল থেকে আসে পাঁচ রান। বিনিময়ে আরসিবি হারায় একমাত্র ভরসা রোমারিও শেফার্ডকে।

ক্রিজে আসেন ভুবেনেশ্বর কুমার, বল হাতে আলো ছড়ানোর পর কিছুটা জমিয়ে রেখেছিলেন ব্যাট হাতে দলকে জেতাবেন বলে। ছক্কা হাঁকিয়ে সংশয় উড়িয়ে দেন। এরপর শেষ বলে দুই রানের সমীকরণটাও মিলিয়ে ফেলে আরসিবি। দুই উইকেটের জয়ে তারা নিজেদের নিয়ে গেল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। আর, প্লে-অফের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হলো মুম্বাইয়ের।










