হারিয়ে যাননি তিলক!

আগে ব্যাট করতে নেমে তাসের ঘরের মতো পতন ঘটে মুম্বাইয়ের লাইনআপে। মাত্র ২৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেললে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ক্রিজে আসেন তিলক।

চাপের মুহূর্তে ইনিংস সামলানো, দলকে টেনে তোলা—এই দায়িত্বটাই তো তিলক ভার্মা পালন করে থাকেন। যদিও এই আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে এই প্রত্যাশা ঠিকঠাক মেটাতে পারছিলেন না। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে, দলের ব্যাটিং যখন ধুঁকছিল, ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন তিলক। খেললেন লড়াকু এক ইনিংস,মুম্বাইকে দিলেন লড়াইয়ের রসদ।

গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অপরাজিত এক সেঞ্চুরি দেখা গিয়েছিল তিলকের ব্যাট থেকে। সেদিন দলের ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের আসরে তাঁর পারফরম্যান্স বলতে গেল যেন এটাই। এমনকি এই শতরান বাদ দিলে ৪০ রানেরও কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি তিলক। 

তবে, প্রতিভা নিয়ে সংশয় ছিল না কারো মনেই। খারাপ সময় তো সবারই আসতে পারে। তিলকেরও এসেছিল। শুধুমাত্র ব্যাটে-বলের মিলনটা ঘটছিল না সঠিক সময়ে। আরসিবির বিরুদ্ধেই যেন নিজের হারানো রূপকে কিছুটা খুঁজে পেলেন এই বাঁহাতি।

আগে ব্যাট করতে নেমে তাসের ঘরের মতো পতন ঘটে মুম্বাইয়ের লাইনআপে। মাত্র ২৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেললে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ক্রিজে আসেন তিলক। তারপর নমন ধীরকে সাথে করে লড়াই  চালিয়ে যেতে থাকেন।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে খুব বেশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসেনি তিলকের সামনে। বরং, ধীর গতিতে খেলে দলকে একটা লড়াই করতে পারার মতো সংগ্রহ এনে দিয়েছেন। ১৮তম ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে খেলেন ৪২ বল। তিন চার আর দুই ছক্কার মারে তাতে তুলে নেন ৫৭ রান।

পয়েন্ট টেবিলে মুম্বাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। বাকি থাকা প্রতিটা ম্যাচ বড় ব্যবধানে জিততে না পারলে প্লে-অফের স্বপ্ন দেখাও পাপ হবে। তেমনই এক চিন্তাগ্রস্থ দিনে দলের ব্যাটিং অর্ডারকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভারটা তাই যেন নিজের মাথায় তুলে নিলেন তিলক ভার্মা। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link