ক্রিকেট অচল নিউইয়র্কের উইকেট!

নিউইয়র্কের পিচ নিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ থেকেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে চলছিল তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। এবার সেখানে যোগ হলেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। বুধবার ভারত ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পিচের অবস্থা ছিল নাজেহাল।

তাইতো তীব্র সমালোচনা প্রকাশ করেছেন ইরফান। ম্যাচে ভাল লেন্থের বলগুলি অপ্রত্যাশিতভাবে বাউন্স করছিল পিচে। আবার হুটহাট প্রত্যাশার চাইতে নিচু হয়ে যাচ্ছিল। যা উভয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য বেশ ঝুকিপূর্ণ।

পিচের এমন নিম্নমান পাঠান মেনে নিতে পারছেন না। ভারতে এধরণের পরিস্থিতি অগ্রহণযোগ্য এবং এমন হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেই ভেন্যু স্থগিত করা হত বলে জানান তিনি।

স্টার স্পোর্টসে পাঠান বলেন, ‘দেখুন, আমরা অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেটের প্রচার করতে চাই কিন্তু এই পিচ খেলোয়াড়দের জন্য নিরাপদ নয়। আমাদের ভারতে যদি এমন একটি পিচ থাকত, তাহলে সেখানে আর কখনোই দীর্ঘ সময় ধরে ম্যাচ খেলা হত না। এই পিচ অবশ্যই ভাল না। আমরা এখানে বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলছি, এমনকি দ্বিপাক্ষিক সিরিজও নয়।’

ম্যাচে ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে ইনিংস শেষ না করেই মাঠের বাহিরে যেতে হয়েছিল। কারণ ভাল লেন্থের একটি বল অপ্রত্যাশিতভাবে বাউন্স হয়ে তার হাতে লাগে। ব্যাট করার সময় ঋষাভ পান্তও অস্বস্তি বোধ করেছিল যখন একটি বল অসমভাবে বাউন্স করে ও তার কনুইয়ে লাগে।

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঠানের এমন বক্তব্যে সহমত প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজ্যগুলিতে খেলা প্রচার করার চেষ্টা দুর্দান্ত, এটি পছন্দ হয়েছে। তবে খেলোয়াড়দের নিউইয়র্কের এই ক্ষতিকারক পিচে খেলতে হবে তা অগ্রহণযোগ্য। আপনি কঠোর পরিশ্রম করে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেন। এবং তারপর আপনাকে এখানে খেলতে হয়!’

আরেক সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটের ওয়াসিম জাফর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিচ সম্পর্কে ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, ‘ নিউইয়োর্কের পিচটি চমৎকার । যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের টি-টোয়েন্টির ছদ্মবেশে টেস্ট ক্রিকেটে আকৃষ্ট করার ধারণাটি ভাল।’

বিশ্বকাপে এমন খারাপ পিচ এবং ধীরগতির আউটফিল্ড প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো শীর্ষ স্তরের আইসিসি ইভেন্টে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং ক্রিকেটের মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সবাই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link