প্রথম দিনে চার উইকেটে ৩০১ রান থেকে দ্বিতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। লক্ষ্য ছিল বড় একটা সংগ্রহ গড়ে ইনিংস শেষ করার। সেই লক্ষ্যের দিকেই যেন ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস আর মুশফিকুর রহিম। লিটন ৩৩ রানে ফিরলে ভাঙে ৬২ রানের জুটি।
লিটনের আউটের পর থেকেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের যেন সাজঘরে ফেরার হিড়িক পড়ে যায়। তবে, মুশফিক এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে। নিজের জন্মদিনে বাজে শটে আউট হওয়ার আগে করেন ৭১ রান।

বাংলাদেশের ইনিংসের বাকি গল্পটার একমাত্র নায়ক তাসকিন আহমেদ। তাঁর ১৮ বলে ২৮ রানের অপরাজিত ইনিংস দলকে ৪০০ পার করিয়েছে। মোহাম্মদ আব্বাসের পাঁচ উইকেট শিকারের দিনে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত থামে ৪১৩ রান করে।
প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষ যখন এমন বড় সংগ্রহ গড়ে তখন চাপ একটা থেকেই যায়। কিন্তু, পাকিস্তানের দুই ওপেনারের ব্যাটে সেই চাপের কোনো ছায়াই দেখা গেল না। বাংলাদেশের পেস অ্যাটাককে ভালোভাবে সামলে নিয়ে ইমাম উল হক আর আজান আওয়াইস জুটিকে শত রান পার করান।
মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ইমাম ফিরে যাওয়ার পর দিনের বাকি সময়টা আজানের সাথে কাটিয়ে দেন মোহাম্মদ ফজল। অভিষিক্ত আজানের ৮৫-তে ভর করে পাকিস্তান ১৭৯ রানে দিন শেষ করে জানান দিল, লড়াই চলবেই।











